নয়াদিল্লি: রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মুদ্রা নীতি কমিটি পেমেন্ট ব্যাঙ্কগুলোর জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বুধবার রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মুদ্রা নীতির নয়া নির্দেশিকায় ডিজিটাল পেমেন্টস ব্যাঙ্ক যেমন পেটিএম পেমেন্টস ব্যাঙ্ক, এয়ারটেল পেমেন্টস ব্যাঙ্ক ,ইন্ডিয়া পোস্ট পেমেন্টস ব্যাঙ্ক অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক পেমেন্ট ব্যাঙ্কগুলোর জন্য আমানতের সীমা বাড়িয়েছে। ব্যাঙ্কটি এখন আমানতের সীমা ১ লক্ষ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লক্ষ টাকা করেছে।

রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস বলেছেন যে, আরবিআই পেমেন্ট ওয়ালেটের আপগ্রেডের কাজও শুরু হয়েছে।ব্যবহারকারীদের এক ওয়ালেট থেকে অন্য ওয়ালেটে অর্থ স্থানান্তর করার স্বাধীনতা পাওয়া উচিত।তবে এখনই, গুগল পে বা পেটিএমের ওয়ালেট থেকে একে অপরের ওয়ালেটে অর্থ স্থানান্তর করা যাবে না।সাধারণ মানুষ যাতে নগদের ব্যবহার কমিয়ে বেশি করে ডিজিটাল লেনদেন করে, সে জন্য পিপিআই এবং নন-ব্যাঙ্ক পিপিআইগুলির ক্ষেত্রে নগদ তোলার সুবিধা চালুর প্রস্তাবও দিয়েছে আরবিআই।

অপরদিকে পেটিএম, মোবিক্যুইক, গুগল পে, ফোনপে-র মতো পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরদের ক্ষেত্রেও এ বার আরটিজিএস এবং এনইএফটি পরিষেবা শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (আরবিআই)। অনলাইনে সঙ্গে সঙ্গে টাকা ট্রান্সফার করতে এই দুই ব্যবস্থার ব্যবহার করে ব্যাঙ্কগুলি। এ বার থেকে পেটিএম, মোবিক্যুইকের মতো প্ল্যাটফর্মগুলিতেও এই ব্যবস্থার ব্যবহার করে আর্থিক লেনদেন করা যাবে। করোনা পরবর্তী অধ্যায়ে অনলাইন লেনদেনে আরও বেশি করে জোর দিতে এবং ইউনিফায়েড পেমেন্ট ইন্টারফেস (ইউপিআই) প্রক্রিয়ার বিস্তারের জন্যই কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কটির এই সিদ্ধান্ত।

করোনা পরিস্থিতি এবং মুদ্রাস্ফীতির ধাক্কা সামাল দিতে আগামী ত্রৈমাসিকের রেপো রেট ও রিভার্স রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল রিজার্ভ ব্যাংক। বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা ঘোষণা করলেন রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর তথা মনিটরি পলিসি কমিটির চেয়্যারম্যান শক্তিকান্ত দাস । যার অর্থ আগামী ৩ মাসও ঋণ দেওয়া বা নেওয়ার ক্ষেত্রে সুদের হার পরিবর্তন করছে না শীর্ষ ব্যাংক।আগামী অর্থবর্ষে জিডিপির পূর্বাভাস রাখা হয়েছে ১০.৫ শতাংশ। তবে আরবিআই গভর্নরের আশা, চলতি আর্থিক বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.