নয়াদিল্লি: বাজেটের আগে ফের ইন্ডিয়া সেলুলার অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স অ্য়াসোসিয়েশন (আইসিইএ) দাবি তুলল মোবাইলের উপর পণ্য পরিষেবা করের (জিএসটি) হার কমানোর। এর আগে গত মার্চে ৫০ শতাংশ জিএসটি বাড়ানো হয়েছিল সেটাকে এই শিল্পের প্রতি নিষ্ঠুর আঘাত বলে অ্যাখ্যা দেওয়া হয়েছিল। এভাবে করের হার বাড়ানোটাকে পণ্য পরিষেবা পর্ষদের কাছে ত্রুটি পূর্ণ বলে জানিয়েছিল এই সংগটনটি।

আইসিইএ-র চেয়ারম্য়ান পঙ্কজ মহিন্দ্রু এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন,প্রতিটি মানুষের হাতে স্মার্টফোন তুলে দেওয়ার লক্ষ্যে পৌছতে হলে এবং দেশের ভিতরে মোবাইল ফোনের বাজারকে ৮০বিলিয়ন ডলারে নিয়ে যেতে গেলে এটা অবশ্যই দরকার মোবাইল ফোনের জিএসটি ১৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১২ শতাংশ করা।

তাছাড়া আইসিইএ সুপারিশ করেছে, বাজেটে যেন ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয় ইলেক্ট্রনিক্স-এর উন্নয়নের জন্য উৎকর্ষ কেন্দ্র গড়ার জন্য় এবং ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করতে বলা হচ্ছে মোবাইল ডিজাইন কেন্দ্র গড়ার জন্য। এছাড়া অন্য়ান্য সুপারিশের মধ্য়ে রয়েছে- এই শিল্পক্ষেত্রটি চেয়েছে ১০০০ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ সুদে ছাড় এবং ১০০ কোটি টাকা ক্রেডিট গ্যারান্টি।

দেশের মধ্যে যারা হ্যান্ডসেট তৈরি করে তাদের জন্য আইসিইএ জানিয়েছে, সরকার সহযোগী ভারতীয় চ্যাম্পিয়ন সংস্থা গড়ে তুলতে যা একেবারে ২০০ডলারের তলায় থাকা একেবারে এন্ট্রি লেভেলের ফোনে বিরাজ করছে । পাশাপাশি আইসিইএ সুপারিশ করেছে, কেন্দ্রীয় বাজেটে ১০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে এমন একটা হেড রাখতে যাতে যারা শুরু করছে তাদের কথা ভেবে। কারণ এই সব নতুন চ্য়াম্পিয়ন কোম্পানিগুলি স্যাপ্লাই চেন এবং লগ্নির ক্ষেত্র তৈরি করবে যা পরবর্তীকালে দেশকে ডিভিডেন্ড দেবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।