স্টাফ রিপোর্টার, দিঘা: রাজ্যের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র দিঘা৷ কিন্তু দিনের পর দিন সেখানে যেভাবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে চলেছে তাতে দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য সব থেকে আগে প্রয়োজন পর্যটকদের সচেতন করা। তাই পর্যটকদের সচেতন করতে এবং দিঘার নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে জেলা পুলিশের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে একটি বিশেষ মোবাইল অ্যাপ চালু করতে চলেছে টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিস সংস্থা।

‘দিঘা বিচ সেফটি’ নামে মুক্তি পাবে ওই অ্যাপটি৷ বর্তমানে সেই অ্যাপের ডেভলপমেন্টের কাজ করছে ‘‘নিনজা কোচ’’ দল। দলের সদস্যরা ইতিমধ্যেই দিঘার দুই থানার পুলিশ কর্মীদের নিয়ে একটি কর্মশালাও করেছেন দিঘায়। এই প্রসঙ্গে কাঁথির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) ইন্দ্রজিৎ বসু বলেন, ‘‘অ্যাপটি খুব দ্রুতই চালু হয়ে যাবে। মোবাইল প্লে স্টোরে গিয়ে অ্যাপটি ডাউনলোড করা যাবে। এরপর দিনের নানা সময়ে দিঘার আবহাওয়া, জোয়ার-ভাটা, গভীর-অগভীর সমুদ্র সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সহজেই মিলবে মুঠো ফোনে। ফলে পর্য্টকরা আরও বেশি সতর্ক হতে পারবেন।’’

প্রসঙ্গত, দিঘায় পর্যটকদের মৃত্যুর ঘটনা কমাতে জেলা প্রশাসন একের পর এক পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছেন। কিন্তু কোনও ভাবেই সতর্ক করা যাচ্ছে না পর্যটকদের৷ তবে এই অ্যাপের সাহায্যে কি আদৌ দিঘায় পর্যটকদের মৃত্যুর সংখ্যা কমানো যাবে, সেটাই এখন প্রশ্ন চিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।