লখনউ:  ফের উত্তপ্ত উত্তর প্রদেশের কাসগঞ্জ৷ শুক্রবার প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে সংঘ পরিবারের ছাত্র সংগঠনের মিছিল ঘিরে শুরু হয় গোষ্ঠী সংঘর্ষ৷ গুলিতে এক যুবকের মৃত্যু হয়৷ ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পরেও শান্ত হয়নি এলাকা৷ সংবাদ সংস্থা এএনআই জানাচ্ছে শনিবারও জ্বলছে কাসগঞ্জ৷ পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশ মোতায়েন করেছে প্রশাসন৷

উত্তরপ্রদেশের একাধিক সংবাদ মাধ্যমের দাবি, পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়েছে কাসগঞ্জে৷ কয়েকটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়৷ শহরের একটি স্থান থেকে তাজা বোমা মিলেছে৷ ফলে জেলা প্রশাসন চিন্তিত৷ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে জেলার সীমান্ত৷

এডিজি আগ্রা অজয় আনন্দ জানিয়েছেন, গুজব রটিয়ে উত্তেজনা জিইয়ে রাখার চেষ্টা করেছে কিছু অসাধু ব্যক্তি৷ প্রশাসন কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দিচ্ছে৷ তাঁর দাবি কতটা অযৌক্তিক, তার প্রমাণ মিলল নতুন করে হামলার সংবাদে৷

শুক্রবার প্রজাতন্ত্র দিবসে তিরঙ্গা মিছিল করছিল অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ৷ অভিযোগ কাসগঞ্জের সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় মিছিলটি গিয়ে উত্তেজক স্লোগান দেয়৷ তারপরেই লেগে যায় সংঘর্ষ৷ মিছিল লক্ষ্য করে তেড়ে আসে অনেকে৷ দু পক্ষই একে অপরের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে৷ বন্দুক বের করে গুলি চালানো হয়৷ সংঘর্ষে এক যুবকের মৃত্যু হয়৷

জানা গিয়েছে, নিহত যুবকের শেষকৃত্য অনুষ্ঠান করতে রাজি হয়নি অনেকে৷ তাদের দাবি, দোষীদের শাস্তি দিতে হবে৷ মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর সৎকার কার্যে অনুমতি দেন নিহতের পরিবার৷ সেখান থেকেই নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে৷ শনিবার সকালে সেই উত্তেজনা তীব্র আকার নিয়ে ফেলে৷

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের দাবি, শ্মশান থেকে ফেরার পথে একদল উত্তেজিত যুবক হামলা চালায় কাসগঞ্জ বাজারের বিভিন্ন দোকানে৷ নির্বিচারে ভাঙচুর করা হয়৷ অভিযোগ, এই ঘটনায় জড়িত এবিভিপি কর্মীরা৷ যদিও তারা অভিযোগ অস্বীকার করেছে৷