তিমিরকান্তি পতি (বাঁকুড়া); শারদোৎসবের আগে এলাকাকে জঞ্জালমুক্ত করতে সাফাই অভিযানে নামলেন এলাকার বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার জয়পুরের হেতিয়া প্রভাতী সংঘের উদ্যোগে সাফাই অভিযানে হাত লাগালেন তিনি।

একদিকে রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী, অন্যদিকে দলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক সভাপতি অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা নিজে কোদাল হাতে সাফাই অভিযানে নেমেছেন দেখে খুশি অনেকেই। তবে এই ঘটনায় অবাক নন এলাকার মানুষ। তাদের দাবী, শ্যামল সাঁতরা আজও তাদেরই একজন। প্রশাসনিক বা সাংগঠনিকস্তরে যত উচ্চতায় পৌঁছন না কেন, সাধারণ মানুষ সব সময় তাঁকে পাশে পায়। এলাকায় তিনি যথেষ্ট জনপ্রিয় বলেও অনেকে জানিয়েছেন।

‘সুস্থ পরিবেশ গড়তে সাফাই অভিযান’ স্লোগানকে সামনে রেখে অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরার নেতৃত্বে এদিন স্থানীয় হেতিয়া বাজার জঞ্জালমুক্ত করার কাজ শুরু করেন প্রভাতী সংঘের সদস্যরা। মন্ত্রী স্বয়ং কোদাল দিয়ে জঞ্জাল পরিস্কার করছেন, সেই জঞ্জাল ঠেলায় চাপিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন এমন ছবিও ধরা পড়লো ক্যামেরায়।

সাফাই অভিযানের ফাঁকে মন্ত্রী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা বলেন, পুজোর আগে ক্লাবের সমস্ত পদাধিকারী ও সদস্যদের সঙ্গে সাফাই অভিযানে তিনিও সামিল। এই ক্লাবটি সারা বছর নানান ধরণের সামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়। তিনি নিজে এই ক্লাবের একজন সাধারণ সদস্য হিসেবে দূষণমুক্ত সমাজ গড়তে এই কাজে যোগ দিয়েছেন বলে অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা জানান।