কলকাতা : আজ বৃহস্পতিবার রাজ্য বিধানসভায় প্রথম দফায় শপথ নিলেন ৬৫জন বিধায়ক। দ্বিতীয় দফায় শপথ নেবেন ৭৮ জন বিধায়ক। প্রথম পর্যায় ১১ টা থেকে ১ টা পর্যন্ত শপথ গ্রহণ । দ্বিতীয় দফায় শপথ গ্রহণ শুরু হবে বেলা ২ টো থেকে, চলবে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত। আগামী কাল অর্থাৎ শুক্রবার শপথ গ্রহণ হবে বিধানসভায় বাকি বিধায়কদের । ওইদিন ১৪৮ জন বিধায়ক দুই’দফায় শপথ নেবেন। সুব্রত মুখোোধ্যায় প্রোটেম স্পিকার হিসেবে শপথ গ্রহণ করান বিধায়কদের । শনিবার বিধানসভার অধিবেশন বসবে। ওই দিন স্পিকার নির্বাচন হবে বিধায়কদের দ্বারা। বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় আবার বিধানসভায় স্পিকার হচ্ছেন বলেই জানা যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার ১৪০ শপথ নিচ্ছেন। শুক্রবার ১৫১ জন বিধায়ক শপথ নেবেন। দুদিনে মোট ২৯১ জন বিধায়ক শপথ নেবেন। খড়দার তৃণমূল বিধায়ক ফল প্রকাশের আগে মারা গেছেন করোনা সংক্রমণে। এ ছাড়া নির্বাচনের আগে দুই বিধানসভার প্রার্থী প্রয়াত হওয়ায় সেখানে নির্বাচন হয়নি। তাই দুদিনে ২৯৪টি বিধানসভার মধ্যে ২৯১টি বিধানসভার বিধায়করা শপথ নেবেন সাকুল্যে।

রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি যে ভাবে চলছে তাতে বিধায়করা শপথ নিয়ে না নিলে সাংবিধানিকভাবে নিজেদের এলাকায় গিয়ে কাজ শুরু করতে পারছেন না। তাই বৃহস্পতি ও শুক্রবারের মধ্যে দুই দফায় শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ কৰা হচ্ছে। এর পর শনিবার বিধানসভার অধিবেশন বসবে। সেদিন প্রথা মেনে বিধানসভার অধ্যক্ষ নির্বাচন হবে । তারপর শোক প্রস্তাব নিয়ে বিধানসভার অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যাবে। পরবর্তী অধিবেশন কবে বসবে সেটাও শনিবারই জানিয়ে দেওয়া হবে।বৃহস্পতিবার উল্লেখ যোগ্যদের মধ্যে শপথ নিলেন পার্থ্য চট্টোপাধ্যায়, সাধন পাণ্ডে , শশী পাঁজা, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, মাদান মিত্র, জুন মালিয়া, কাঞ্চন মল্লিক, রাজ্ চক্রবর্তী, চিরঞ্জিত চক্রবর্তী।

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান দ্রুত শেষ করার পর বিধানসভার অধিবেশন বসবে। তার পরই শুরু হবে বিধায়কদের আগামী পাঁচ বছরের জন্য কাজ করার প্রক্রিয়া। বিধানসভা এমন একটি জায়গা যেখানে বিধায়করা তাঁদের এলাকার ভালো-মন্দের কথা রাজ্যের মন্ত্রিসভার সদস্যদের সামনে তুলে ধরতে পারেন। বলা যায় বিধানসভা এলাকার যাবতীয় দাবি দাওয়া নিস্পত্তির কথা বিধানসভাতেই অনুমোদন পায়। এছাড়াও সড়কের তরফে নানান গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা এই বিধানসভায় অনুমোদিত হয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.