ভাইজাগ: নতুন করে গ্যাস লিক হচ্ছে না। গভীর রাতে যে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল, তা কার্যত উড়িয়ে দিলেন বিধায়ক।

এদিন রাতে নতুন করে ধোঁয়া বেরতে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় দমকলবাহিনী ও এনডিআরএফ টিম। সেই ছবিও প্রকাশ্যে আসে। তবে ওই ঘটনার পর বিধায়ক গণবাবু সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে যে, নতুন করে কোনও গ্যাস লিক হয়নি। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই আশেপাশের অঞ্চল খালি করা হচ্ছে। সেখানকার লোকজনকে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই ফের গ্যাস বেরনোর দৃশ্য নজরে আসায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়ায়। রাতে ঘটনাস্থলে ছিল ৫০ জন দমকলকর্মী ও এনডিআরএফ টিম। জানা যায়, ২-৩ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা গ্রাম খালি করার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

এদিন সকালে গ্যাস লিক করে এক শিশু সহ মোট ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছে ২০০ জনকে। যাদের মধ্যে ৮০ জনকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। ২০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ইতিমধ্যে ওই সংস্থার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে।

কীভাবে এই ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিক তদন্তে সংস্থার বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। জানা যাচ্ছে, গ্যাস লিক করেছে ২টি ৫০০০ টন ট্যাঙ্ক থেকে। মার্চ থেকে ট্যাঙ্ক দুটির কোনও দেখভাল করা হয়নি বলে অভিযোগ। এর মধ্যে লকডাউনের কারণে দীর্ঘদিন ধরে কারখানা বন্ধ ছিল। তাই রাসায়নিক বিক্রিয়ার জেরে তাপ উৎপাদন বলে খবর। এরপরেই তা লিক করে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে বলে পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.