মুম্বইঃ  গত কয়েকদিন আগে বিধ্বংসী বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে লেবাননের রাজধানী বেইরুট। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাইন ছিল যে বহুদূর থেকে শোনা যায় সেই আওয়াজ। জানা যায়, ভয়ঙ্কর এই বিস্ফোরণের পর বিশাল এক গর্ত হয়ে যায় এলাকায়। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়।

তদন্তে দেখা যায়, জমিয়ে রাখা ২ হাজার ৭৫০ টন মজুত করা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বিস্ফোরন ঘটেই ভয়ঙ্কর এই পরিস্থিতি। ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের পর রীতিমত ধস নেমেছে দে দেশের অর্থনীতিতে। কয়েকশ কটি ডলারের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিস্ফোরণেন সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে গিয়েছে দেশের খাদ্য ভান্ডারও। হাতে আর মাত্র একমাসের খাবার রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে গোটা বিশ্বের কাছে সাহায্যের জ০ন্যে দরবার করেছে লেবানন। কার্যত ধ্বংসস্তুপে দাঁড়িয়ে থাকা লেবাননের পাশে দাঁড়িয়েছে একাধিক দেশ। সেই তালিকায় সামিল হলেন মিয়া খলিফা। নীল ছবির নায়িকা মিয়া। বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত লেবাননের পাশে দাড়িয়েছেন তিনি। আর তা দাঁড়াতে নিজের বিখ্যাত চশমা নিলামে তুলছেন তিনি। সংগৃহীত অর্থ তিনি ত্রাণে তুলে দিতে চান। কীভাবে তা করবেন মিয়া তাঁর সোশ্যাল মিডিয়াতে জানিয়ছেন।

মিয়া জানিয়েছেন, তাঁর বিখ্যাত চশমা তিনি নিলামে তুলতে চলেছেন। একেবারে কালো ফ্রেমের চশমাতে একাদিক নীলছবি করেছেন তিনি। সেটিকেই এবার বিক্রি করতে চলেছেন। আর তা বিক্রি করে যে অর্থ উঠবে, তা বিস্ফোরণ বিধ্বস্ত দেশের রেড ক্রসের ত্রাণ তহবিলে তুলে দেওয়া হবে সোশ্যাল মিডিয়াতে মিয়া জানিয়েছেন।

নীল ছবির সঙ্গে দীর্ঘদিন যুক্ত নেই আর মিয়া। তবে তাঁর অসংখ্য অনুগামী রয়েছে। আরতাদের উদ্দেশ্যেই মিয়া এই বার্তা দিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়াতে নীলছবির নায়িকা জানিয়েছেন, আমি শুধু সৃজনশীল হওয়ার চেষ্টা করছি। অনেকে অনেকভাবে ত্রাণ সংগ্রহ করতে পারেন। তবে চাই না এই বিপর্যয়ের সময় আলোচনাটা অন্যদিকে ঘুরে যাক।

দীর্ঘদিন ধরে মিয়া নীলছবির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। একের পর এক নীলছবি কার্যত হিট মিয়ার। ২০১৫ সালে তিন মাসের মধ্যে ১১টি পর্নোগ্রাফিতে দেখা গিয়েছিল মিয়া খলিফাকে। যার মধ্যে হিজাব পরে একটি নীল ছবি ঝড় তুলেছিল গোটা বিশ্বে। এরপরেই আইএসের মতো জঙ্গি সংগঠনগুলির নজরে পড়ে মিয়া। শুধু তাই নয়, কট্টরপন্থীরা মিয়াকে প্রাণনাশের হুমকিও দেয়। এরপর থেকেই কার্যত নীলছবির জগত থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখেন মিয়া।

শোনা যায়, খুব শীঘ্রই বিয়েও করতে চলেছেন মিয়া।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও