স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ভোটপ্রচারের মাঝেই অসুস্থ হয়ে পড়লেন বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী। রবিবার উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে ভোটপ্রচারের সময় অসুস্থ হয়ে পড়েন এককালের সুপারস্টার। তাঁকে হেলিকপ্টারে করে কলকাতায় আনা হয়েছে। মিঠুন চক্রবর্তীর অসুস্থতার খরবে উদ্বিগ্ন তাঁর ফ্যানেরা।

আরও পড়ুন: সুজাতা-সায়ন্তনের প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করল কমিশন

মোদীর ব্রিগেড সমাবেশে বিজেপিতে যোগদানের পর থেকে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে লাগাতার প্রচার করছেন মিঠুন। দিনে একাধিক রোড শো করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। রবিবার উত্তর দিনাজপুরের  রায়গঞ্জের চণ্ডীতলা থেকে পাঁচ কিলোমিটার রোড-শো করার কথা ছিল তাঁর। নির্দিষ্ট সময়েই সেখানে পৌঁছন মহাগুরু। জানা গিয়েছে, আগে থেকেই অসুস্থ বোধ করছিলেন তিনি। সেই কারণে এদিন প্রথমে হুড খোলা গাড়িতে উঠতে চাননি। কিন্তু দলের নেতা-কর্মীদের আবেদনে শেষমেষ শারীরিক অসুস্থতাকে গুরুত্ব না দিয়েই হুডখোলা গাড়িতে ওঠেন তিনি। চণ্ডীতলা থেকে শুরু হয় শোভাযাত্রা। পাশেই ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরী। খোশমেজাজেই ছিলেন মিঠুন। রাস্তার দু’পাশে থাকা জনতার উদ্দেশে হাতও নাড়েন তিনি। তাঁর উদ্দেশে ফুলবৃষ্টি করে আমজনতা। নাচতেও দেখা যায় মিঠুনকে। রোড শো ২০০ মিটার পেরতে না পেরতেই ছন্দপতন হয়।  আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন মহাগুরু। তড়িঘড়ি গাড়ি থেকে নামানো হয় মিঠুনকে। নিয়ে যাওয়া হয় হেলিপ্যাডে।

আরও পড়ুন: করোনা পরিস্থিতি: মোদীর পদত্যাগ দাবি করলেন মমতা

জানা গিয়েছে, এদিন আগে থেকেই অসুস্থতা বোধ করছিলেন মিঠুন। হুড খোলা গাড়িতেও উঠতে চাননি তিনি। নেতা ও সমর্থকদের অনুরোধে শেষ পর্যন্ত তিনি রোড শোয়ে শামিল হল। তার পরই ঘটে বিপত্তি। লাগাতার প্রচারের ক্লান্তিতেই কি অসুস্থ হয়ে পড়লেন তিনি? উদ্বিগ্ন মিঠুনের ভক্তরা।

মিঠুন চক্রবর্তী অসুস্থ হয়ে পড়ায় বেশ কিছুক্ষণের জন্য স্তব্ধ হয়ে যায় রোড শো। তবে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে ফের কর্মসূচি শুরু করে বিজেপি নেতারা। রায়গঞ্জ বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী বলেন, ‘মিঠুনদা অসুস্থ থাকায় তাঁকে হঠাৎ করেই চলে যেতে হয়েছে। পরবর্তী কালে তিনি আবার রায়গঞ্জে আসবেন।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.