স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বাংলার সব কিছুতে অধিকার আপনাদের। কেউ তা ছিনিয়ে নিতে এলে, আমাদের মতো কিছু লোক দাঁড়িয়ে যাবে। রবিবার মোদীর ব্রিগেডের মঞ্চে দাঁড়িয়ে এভাবেই পুরোনো দল তৃণমূলকে নিশানা করলেন এককালের সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী৷ ব্রিগেডে হাজির  গেরুয়া ভক্তদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা- ‘আমার নাম মিঠুন চক্রবর্তী, আমি যা বলি তা করে দেখাই’।

সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে ব্রিগেড মঞ্চে এদিন বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন মিঠুন চক্রবর্তী। এরপরই তিনি বললেন, ‘আমার ক্যাম্পেন শুরু করার আগে, আপনাদের বলতে চাই- আমি যা বলি, তা করে দেখাই। আমি জলঢোড়াও নয়, বেলোবোড়াও নই। আমি একটা কোবরা। আমি জাত গোখরো। এক ছোবলে ছবি। এ বার কিন্তু সেটাই হবে।’  একুশের নির্বাচনে তিনি কি হতে চলেছেন বিজেপির অন্যতম প্রার্থী? মিঠুনের বক্তব্য উস্কে দিল নতুন জল্পনা৷ এদিন শুরু থেকেই ফিল্মি মেজাজে ব্রিগেডে ভাষণ দেন মিঠুন৷ ‘মারব এখানে, লাশ পড়বে শ্মশানে’, এমএলএ ফাটাকেষ্টর বহুপরিচিত সংলাপ উচ্চারণ করে নতুন ডায়লগ বিজেপি সমর্থকদের উদ্দেশে ছুঁড়ে দেন৷

 এদিন ব্রিগেড মঞ্চে পর্দার ‘মিনিস্টার ফাটাকেষ্ট’ বলেন, ‘আজ আমার কাছে স্বপ্নের মতো। জোড়াবাগানে যেখানে থাকতাম, সেটা একটা অন্ধকার গলি ছিল। সেখানে সেদিন একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম, জীবনে কিছু একটা করব। কিন্তু, এই স্বপ্ন দেখিনি যে বিশ্বের সবথেকে বড় গণতন্ত্রের বড় নেতা মোদীজি এই মঞ্চে আসবেন, আর আমি সেখানে থাকব।

নিজেকে ‘গর্বিত বাঙালি’ হিসাবে তুলে ধরে তাঁর মন্তব্য, ‘‘দেশবন্ধু চিত্তররঞ্জন, রানি রাসমণি আসলে বাঙালি। যারা মানুষের হক কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করবে, সেখানে আমাদের মতো কিছু লোক বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে যাবে।’’

মিঠুনের ভাষণ রাখার কিছুক্ষণের মধ্যে শিলিগুড়িতে বক্তৃতা করতে ওঠেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রত্যাশামতোই কড়া আক্রমণ করেন মোদীকে।  কিন্তু মিঠুন নিয়ে একটি শব্দও শোনা গেল না তাঁর মুখে। কয়েকবছর আগেই তিনিই রাজ্যসভার সাংসদ করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তীকে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।