বাস্তুশাস্ত্রকে (vastu shastra) ভারতীয় সংস্কৃতিতে একপ্রকার দিশার বিজ্ঞান বলে মনে করা হয়। এর প্রভাব আমাদের জীবনে সুদূরপ্রসারী বলে অনেকেই তা মেনে চলেন।

তবে এমন বিশেষ কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো নিয়ে এখানে বলা রয়েছে যা না মানলে নাকি সেক্ষেত্রে আবার আমাদের জীবনে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে।

এই বিশেষ লেখায় সেই কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হল যা না মানলে আপনার বাড়িতে অশুভ শক্তির প্রবেশ হতে পারে।

আবার বলা হয় এগুলি না মানলে মা লক্ষ্মী থাকবেন না আপনার বাড়িতে।

আরো পোস্ট- করোনাক্রান্ত হয়ে টেনশনে টুকটাক খেয়েই যাচ্ছেন! কীভাবে বন্ধ করবেন

১. বাস্তুমতে (vastu shastra) আমাদের পবিত্রতা এবং শুদ্ধতার মধ্যেই নাকি ঈশ্বর বাস করেন। তাই নিজের জীবনের পাশাপাশি আমরা যেখানে থাকি সেই জায়গাগুলো পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা আমাদের কর্তব্য।

রান্নাঘরে (kitchen) অনেকেই এঁটো বাসন পত্র ছড়িয়ে রেখে দেন। কিন্তু এই এঁটো বাসনপত্র রাখলে মনে করা হয় তা অশুভ।

২. বাস্তু শাস্ত্র (vastu shastra) অনুসারে রান্নাঘরে (kitchen) এঁটো বাসনে ভাতের দানা পড়ে থাকলে তা অশুভ বলে মনে করা হয়। বাস্তু শাস্ত্র অনুসারে অন্নকে পৃথিবীর স্তোত্র হিসেবে মনে করা হয়।

৪. কিছু কিছু মানুষের অভ্যাস রয়েছে রাত্রিবেলা এঁটো বাসন রান্না ঘরে (kitchen) রেখে দেওয়ার এবং সকালবেলা সেগুলি ধোওয়ার। এর প্রভাব শুধু বাড়ি নয় বাড়িতে বাস করা ব্যক্তিদের উপরেও পড়ে।

এর ফলে বাড়িতে ধন সম্পদের অভাব হতে পারে।

৫. বাস্তুশাস্ত্র (vastu shastra) বলছে যদি কোনো ব্যক্তি এঁটো বাসন না ধুয়ে রাখেন তাহলে তার ভাগ্যে সাফল্য আসতে সময় লাগে। তাই সর্বদাই রান্নাঘরের (kitchen) বাসনপত্র পরিষ্কার করে ধুয়ে রাখা উচিত।

৬. এছাড়াও এঁটো বাসন পত্র রেখে দিলে তার থেকে নানারকম জীবাণু সৃষ্টি (bacteria) হয় এবং তা সারা বাড়িতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর ফলে সেটি সদস্যদের শারীরিকভাবে অসুস্থতার কারণও হতে পারে।

তাই সর্বদাই আপনার রান্নাঘর (kitchen) পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি বাসন নিয়মিতভাবে ধুয়ে রাখার অভ্যেস করুন। এতে আপনার ঘরে সর্বদাই মা লক্ষ্মী বিরাজ করবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.