কলকাতা: সম্পর্কের টানাপোড়েনে আমরা সবাই পড়ি মাঝেমধ্যেই। সেটা যে কোনো ধরণের সম্পর্ক হতে পারে। কিন্তু সেই সমস্যায় পড়ে আমরা অনেক সময়েই ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলি বা করে ফেলি। কারণ সেই সময় মন থাকে অশান্ত। আবেগের বশে যা করি তা ভুল পথে চালিত করে আমাদের। তবে সেই সিন্ধান্তগুলি কোনোটাতেই আমাদের লাভ হয় না।

১. বিচ্ছেদের পরেই অনেকের মধ্যে একাকিত্ব ভর করে থাকে। তা কাটাতে অনেকেই নেশায় আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। মদ্যপান বা ধূমপানের মাত্রা বেড়ে যায় তখন। কিন্তু এতে শরীরের নানা অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এটা মাথায় থাকে না।

২. কেউ কেউ নিজেকে পাল্টে ফেলার মনস্থির করেন। এতে তার নিজস্ব সত্বা নষ্ট তো হয়ই আবার সে এমন কিছুতে পরিণত হয় যা তাকে মানায় না। জীবনধারা পাল্টানোর পাশাপাশি ব্যবহারও পাল্টে যায়।

আরো পোস্ট- ওজন নিয়ন্ত্রণের সুস্বাদু রেসিপি হাতে…বানান শসার স্যুপ

৩. মনে আক্রোশ জন্মায়। এর ফলে মনের শান্তি নষ্ট হওয়ায় যাকে তাকে যা খুশি বলে দেওয়ার প্রবণতা থাকে। তাতে পারস্পরিক সম্পর্ক নষ্ট হয় অন্যের সঙ্গে।

৪. কারুর কারুর আত্মবিশ্বাস এতো কমে যায় যে তার ব্যক্তিগত জীবন ও কাজের জগতেও প্রভাব পড়তে সময় লাগে না। এতে তার জীবন ক্ষতির দিকেই এগিয়ে যায়। ফলে নতুন কাজ করার সময় উৎসাহ যেমন পায় না তেমন এগোতেও ভয় পায়। তার সমসাময়িকদের থেকেও অনেকটা পিছিয়ে যায় সে।

৫. প্রাক্তনকে স্টক করার একটা চেষ্টা চলতে থাকে। সে কোথায় গেল, কার সঙ্গে মিশল বা সোশ্যাল মিডিয়ায় কী পোস্ট করলো তা নিয়ে মাথাব্যথা আরো বেড়ে যায়। তা দেখে কষ্টের মাত্রাও আরো বেড়ে যাওয়াটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এটা বুঝতে হবে যে সবার জীবন আদর্শ এক হয় না। হয়তো প্রাক্তনও এবার নতুন করে এগিয়ে জীবন শুরু করার কথা ভেবেছে।

৬. অনেকেই আবার অন্য রাস্তায় চলে যান ক্ষনিকের আনন্দ পেতে। শারিরীক সম্পর্কেও জড়ান একাধিকবার। তবে কোনোটাই টেকে না কারণ তারা সেখানে মন দিয়ে এগোতে পারেন না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।