স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজপথে যদি দেখেন কামান এগিয়ে আসছে তাহলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। করোনার জীবাণু নাশ করতে এবার শহরের রাস্তায় কামান দাগবে কলকাতা পুরসভা।

করোনার জীবাণু নাশে এল মিস্ট ক্যানন মেশিন।শনিবার রানি রাসমণি রোডে কলকাতা পুরসভার প্রশাসনিক বোর্ডের প্রধান ফিরহাদ হাকিমের উপস্থিতিতে মেশিনটির উদ্বোধন করা হয়। এই মেশিন কম সময়ে অনেকটা এলাকা জীবাণুনাশক ছড়াতে পারবে। ফুটপাত, চওড়া রাস্তা, বড় বিল্ডিং, অফিস এই জায়গাগুলোতে মুহূর্তের মধ্যেই স্যানিটাইজ করে ফেলবে এই কামান গাড়ি।

এই গাড়ি ৩৬০ ডিগ্রী ঘুরতে পারে, ৮০ মিটার দূরত্ব পর্যন্ত সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইড মিশ্রিত তরল স্প্রে করতে পারে। এই গাড়ির পিছনে রয়েছে জেনারেটর এবং একটি জলের ট্যাঙ্কার। সামনেরর প্রান্তে রয়েছে কামান। সেই গোলার বদলে বেরোবে ডিসইনফ্যাক্টান্ট তরল যা অনেকটা ব্যাসার্ধ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়বে।মেশিনটি কিনতে খরচ পড়েছে ২৭ লক্ষ টাকা।

পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ হাকিম বলেন, মেয়র হওয়ার পর থেকেই মহানগরের দূষণ কমানোর চিন্তা ছিল তাঁর মাথায়। সেকারণে বেশ কয়েকটি স্প্রিংলেয়ার মেশিন ও মিস্ট মেশিন কেনা হয়। মূলত, শীতে বাতাসের ভাসমান ধূলিকণা মাটিতে বসিয়ে দিতেই এই মেশিনের কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যে করোনা চলে আসায় এখন এই মেশিনগুলিকে করোনা জীবাণু নাশে ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এই মেশিন হয়তো করোনা দূর করতে পারবে না, কিন্তু করোনা রোগীদের ফেলে দেওয়া জিনিস পত্রের জীবানু নাশ করতে সক্ষম হবে।

কলকাতায় সম্প্রতি বেড়েছে কনটেইনমেন্ট জোনের সংখ্যা। দিন দিন বাড়ছে সংক্রমণের হার। কিন্তু কলকাতা পুরসভার কাছে এই করোনা মোকাবিলার জন্য সরঞ্জাম প্রয়োজনের তুলনায় কম ছিল।

কলকাতার কোনও একটি এলাকায় যদি একটি গাড়িকে স্প্রে করতে পাঠানো হচ্ছে তাহলে সেটা অনেকক্ষণ সময় লাগাচ্ছে। এর ফলে রোগ প্রতিরোধ করা অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার হয়ে যাচ্ছে। তবে এবার মিস্ট ক্যানন মেশিন দ্রুত জীবাণু নাশ করা সম্ভব হবে বলে দাবি পুরসভার।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ