নয়াদিল্লি: রেলকে আরও গতিশীল করতে চাইছে কেন্দ্র। ২০২০ সালের মধ্যে সেই লক্ষ্যে রেলের ১০০ শতাংশ বৈদ্যুতিকীকরণ করতে চাইছে মোদী সরকার। এতে ডিজেল লোকোমোটিভ বা ইঞ্জিনগুলোকে বাতিল করা প্রয়োজন। এই পরিকল্পনা রূপায়িত হলে রেল মন্ত্রকের সাশ্রয় হবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

গোটা দেশের রেললাইনের ১০০ শতাংশ বৈদ্যুতিকীকরণ হয়ে গেলে দূষণের মাত্রাও কমবে বলে জানা গিয়েছে। এতে কয়লা খরচ কমবে ও প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা কমার সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও, গোটা দেশেই ট্রেনের গতি বাড়বে বৈদ্যুতিকীকরণের ফলে। রেলমন্ত্রকের মতে এই প্রকল্পের ফলে গোটা দেশের প্রতিটি রুটেই খরচ কমবে। প্রতিটি ট্রেন চালানোর পিছনে যে অপারেটিং কস্ট, তাও কমে আসবে, ফলে লাভের মুখ দেখবে রেলমন্ত্রক।

ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পে কাজ শুরু করেছে ভারতীয় রেল। প্রতিটি জোনকে এই মর্মে নির্দেশও পাঠানো হয়েছে। যাতে প্রকল্পের কাজ দ্রুত শুরু করা যায়। প্রতিটি জোনকে বলা হয়েছে ৩১ বছরের পুরোনো ডিজেল ইঞ্জিনের ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া হয়। নর্দার্ন রেলওয়েতে প্রথম এই প্রকল্প চালু করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

রেলসূত্রে খবর, ২৫ থেকে ৩০ বছরের পুরোনো ডিজেল ইঞ্জিন ব্যবহার করতে গেলে বেশি খরচ হয় রেলের। সেগুলোকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগেই রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল জানিয়েছিলেন, মেক ইন ইণ্ডিয়া প্রকল্পে ভারতীয় রেল হাই স্পিডের ইঞ্জিন তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷ যে ইঞ্জিন ছুটবে প্রতি ঘণ্টায় ১৮০ কিমি বেগে৷ এর আগে, এই ধরণের উদ্যোগ ভারতীয় রেলে নেওয়া হয়নি৷

এরই সঙ্গে ট্যুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি৷ দেখা যায় ট্রেনটির গতি ছুঁয়েছে ১৭৯.৮ কিমি প্রতি ঘণ্টায়৷ এর আগে, পয়লা ফেব্রুয়ারি নিজের ট্রায়াল রানে ১৮০ কিমির গতি ছুঁয়েছিল ভারতের সর্বোচ্চ গতির বন্দে ভারত এক্সপ্রেস৷