মেক্সিকো সিটি: প্রায় দেড়দিন নিখোঁজ থাকার পর উদ্ধার হল মেক্সিকোর প্রাইভেট জেটের ধ্বংসাবশেষ৷ সোমবার বিকেলে বিমানের ভাঙাচোরা অংশ উদ্ধার হয়৷ বিমানের ১৪ জন যাত্রীও নিখোঁজ ছিলেন৷ তাঁরা সবাই মৃত বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে৷

লাস ভেগাস থেকে উত্তর মেক্সিকোর মন্টেরেতে উড়ানের পথে আচমকাই ১৪ জন যাত্রীকে নিয়ে কর্পূরের মত মিলিয়ে যায় বিমানটি৷ অনেক চেষ্টা করেও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের পক্ষ থেকে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি৷ কোয়াহুইলার কাছে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বিমানটির৷ বম্বারডিয়ার চ্যালেঞ্জার ৬০১ বিমানটি রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় বলে খবর৷

গোটা এলাকা জুড়ে তল্লাশি শুরু করেন তদন্তকারী আধিকারিকরা৷ সোমবার বিকেলে অবশেষে খোঁজ মেলে বিমানের ধ্বংসাবশেষের৷ জানা গিয়েছে ১১ জন যাত্রী ও ৩ জন বিমান কর্মী ছিলেন প্লেনটিতে৷ কোয়াহুইলার মনক্লোভা ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টের প্রধান আধিকারিক মিগুয়েল ভিল্যারিয়্যাল জানিয়েছেন যে ধ্বংসাবশেষের সঙ্গে নিখোঁজ প্লেনটির অনেক মিল পাওয়া গিয়েছে৷

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে মিগুয়েল জানান, ভেঙে পড়া বিমানটির রেজিস্ট্রেশন নাম্বার মিলিয়ে দেখলেই গোটা বিষয়টি পরিষ্কার হবে৷

এদিকে, সোমবারই আকাশে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই আগুন লেগে যায় মস্কো বিমানবন্দরে যাত্রীবাহী রুশ বিমানের। কিন্তু জরুরি অবতরণের পরও বাঁচানো যায়নি ৪১ জন যাত্রীকে। মর্মান্তিক মৃত্যু হয় তাঁদের। যদিও স্বস্তির খবর অভিশপ্ত বিমানে থাকা ৭৮ জন যাত্রীর মধ্যে ৩৭ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। ইতিমধ্যে এহেন দুর্ঘটনার কারণে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। তবে তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সময় ভেঙে পড়ে বিমানটি। যার ফলে বিমানে থাকা একজন মহিলা কর্মী সহ ৪১ জনের মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে একাধিক সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, নিহত ৪১ জনের মধ্যে দুজন শিশু রয়েছে। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়াতে বিমানটিতে আগুন ধরে যাওয়ার একটি ভয়াবহ ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, লেজের অংশে আগুন জ্বলা অবস্থায় দ্রুত অবতরণ করছে বিমানটি। এরপর রানওয়েতে থাকা অবস্থাতেই কালো ধোঁয়ায় ছেয়ে যায় চারপাশ।