হায়দরাবাদ: পাঁচ দিন নিখোঁজ থাকার পরে খোঁজ মিলল নাবালিকার। প্রতিবেশীর বন্ধ করে রাখা শৌচালয় থেকে তাকে উদ্ধার করা হল জীবিত অবস্থায়।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানার মাখতাল এলাকায়। গত ২০ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ ছিল দ্বিতীয় শ্রেণীর পড়ুয়া কুরাভাকাছেরি আখিলা। খুব স্বাভাবিকভাবেই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিল তার পরিবার। কিছুতেই কোনও সুরাহা হচ্ছিল না। তদন্তে বিশেষ গতি পাচ্ছিল না পুলিশ।

এই অবস্থায় পাঁচ দিন পরে উদ্ধার হয়েছে পাঁচ সাত বছরের কুরাভাকাছেরি। সুস্থ না হলেও মেয়েকে জীবিত ফিরে পেয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে তার পরিবার। দেহে প্রাণ থাকলেও তা এখন বেশ অসুস্থ। চিকিৎসার জন্য তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।

কিন্তু, পাঁচ দিন দরে বন্ধ শৌচালয়ে কীভাবে কাটাল কুরাভাকাছেরি? বাইরে থেকে বন্ধ শৌচালয়ে সে প্রবেশই বা করল কী করে? পাশের বাড়ি থেকে নাবালিকা মেয়েকে খুঁজতে পাঁচ দিন সময় লাগল কেন?

এই সকল যাবতীয় প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন মাখতাল থানার এই কেস্বের তদন্তকারি অফিসার অশোক কুমার। তিনি জানিয়েছেন যে কুরাভাকাছেরির পড়শি ভেঙ্কটেশ সমগ্র পরিবার নিয়ে হায়দরাবাদে ঘুরতে গিয়েছিলেন। বাড়ি বন্ধ ছিল, একই সঙ্গে বন্ধ করে রাখা হয়েছিল বাড়ির শৌচালয়। যেটির কোনও পাকা ছাদ নেই। উপরে কেবল একটা প্লাস্টিক দিয়ে ঢাকা।

নিজের বাড়ির ছাদে খেলতে গিয়ে কোনোক্রমে পরে যায় নাবালিকা কুরাভাকাছেরি আখিলা। সেই সময়েই সে পড়শি ভেঙ্কটেশের শৌচালয়ে গিয়ে পরে। বাইরে থেকে দরজা বন্ধ থাকায় আর বাড়ি ফিরতে পারেনি। শৌচালয়ে থাকা এক বালতি জল খেয়েই কাটিয়ে দিয়েছে পাঁচ দিন।

অন্যদিকে, ভেঙ্কটেশ হায়দরাবাদ থেকে ফিরে শৌচালয়ের দরজা খুলতেই পড়শি নাবালিকা মেয়েকে দেখতে পান। এবং সঙ্গে সঙ্গেই এলাকার অন্য লোকেদের খবর দেন।