নয়াদিল্লি: আগামী কয়েক বছরে ভারতের অস্ত্র-ভাণ্ডারে আসছে আরও বেশি সংখ্যায় ব্রহ্মোস সুপারসনিক মিসাইল। যে সংস্থা এই মিসাইল তৈরি করে, তারাই এই খবর প্রকাশ করেছে। ভারত ও রাশিয়ার দুই সংস্থা যৌথ উদ্যোগে এই মিসাইল তৈরি করে। রাশিয়ান সংস্থা এরোস্পেশ লিমিটেডের তরফে জানানো হয়েছে, ভারত  এই অস্ত্র ভারত ও রাশিয়ার কোনও বন্ধু দেশকে বিক্রিও করতে পারে।

সংস্থার মুখপাত্র এই খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শীঘ্রই ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে যেতে চলেছে ব্রহ্মোস মিসাইল। এই মিসাইলের সমান কোনও মিসাইল এই মুহূর্তে বিশ্বে নেই। গতি কিংবা ক্ষমতায় বর্তমানে বিশ্বের সবথেকে শক্তিশালী মিসাইল।

সম্প্রতি চিন সীমান্তে সবথেকে বেশি গতিসম্পন্ন এই মিসাইল মোতায়েন করা সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। এর গতি হবে ৩০০০ কিলোমিটার/ ঘণ্টা। আর এতেই আতঙ্ক বেড়ে গিয়েছে চিনের। অন্ধ্রপ্রদেশের সীমান্তে এই মিসাইল রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাখা হতে পারে কাশ্মীরেও। পাহাড়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শত্রুদেরও সহজেই টার্গেট করা যায় এই মিসাইলের মাধ্যমে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাঁচটি রেজিমেন্টের প্রত্যেকটিকে ১০০টি করে মিসাইল আছে।

ভারতীয় সেনার গর্বের মিসাইল ব্রহ্মোস।  চিনকে চাপে রাখতে ইতিমধ্যে সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে এই মিসাইল।

মোবাইল অটোনমাস লঞ্চারের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হয় এই মিসাইল। বিদেশি সহায়তায় সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে এই মিসাইল। ২০০৭ থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে রয়েছে ‘ব্রহ্মস’। একাধিকবার এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল উৎক্ষেপণ পরীক্ষা করা হয়েছে। করা হয়েছে আরও অত্যাধুনিক। এক সময় ব্রহ্মস এয়ারোস্পেসের তৎকালীন প্রধান সুধীর মিশ্র বলেছিলেন, ‘ব্রহ্মস মিসাইল সিস্টেম ভারতের সবথেকে ক্ষমতাশালী অস্ত্র।

ভারতে এখনও পর্যন্ত ব্রহ্মসের তিনটি রেজিমেন্ট প্রস্তুত। প্রতিটিতেই রয়েছে ব্লক-৩ ভার্সনের মিসাইল। এই মিসাইল যে কোনও গোপন স্থানে লুকিয়ে থাকা শত্রুর উপর আঘাত হানতে সক্ষম। যদিও পরবর্তীকালে অত্যাধুনিক এবং শক্তিশালী এই মিসাইলের রেঞ্জ আরও বাড়ানো হয়েছে। মাটি, সমুদ্র কিংবা আকাশ যে কোনও জায়গা থেকেই এটি ছোঁড়া সম্ভব। ভারতের ডিআরডিও এবং রাশিয়ার এনপিওএমের যৌথ উদ্যোগে রূপ নিয়েছে ব্রহ্মস।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।