বাকু: এখনও শান্ত হয়নি আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের যুদ্ধ। শনিবার মিসাইল হামলায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ১২ জনের। আহত হয়েছে ৪০ জনেরও বেশি। প্রত্যেকেই সেইসময় ঘুমোচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। নাগোরনো-কারাবাখ এলাকায় এই মিসাইল হামলার ঘটনা ঘটেছে।

ভোর রাতে এই মিসাইল হামলা হয়। গাজার ছবিতে দেখা যাচ্ছে বাড়িগুলির ধ্বংসাবশেষ। উদ্ধারকারীরা স্তূপ সরিয়ে দেহ খুঁজে চলেছেন।

রীতিমত দেওয়াল ভেঙে পড়েছে, জানালা ভাঙা। ধ্বংসস্তূপে কেউ কেউ বসে আছেন অবাক চোখে। এর ঠিক ৬ দিন আগে আরও এক হামলা হয়। অন্তত ১০ জনের মৃত্যু হয় সেই হামলায়।

নাগোরনো-কারাবাখের বিতর্কিত যুদ্ধবিধস্ত অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরেও ফের সেখানে গোলাগুলি বর্ষণ হচ্ছে। আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান উভয় পক্ষই জানিয়েছে, সেখানে লড়াই অব্যাহত রয়েছে। উভয় পক্ষই দাবি করেছে, তারা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেনি এবং এর প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। এই দুটি দেশই নাগোরনো-কারাবাখে মালিকানা দাবি করছে।

আর্মেনিয়া কয়েকদিন আগেই জানিয়েছে , আজেরি বাহিনী বিরোধপূর্ণ অঞ্চলটির দক্ষিনাংশে গোলাবর্ষণ করেছে, অন্যদিকে নাগোরনো-কারাবাখ আজারবাইজান এলাকায় আর্মেনিয়া বড় রকমের হিংসা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। নাগোরনো -কারাবাখ আজারবাইজানের মধ্যে অবস্থিত আর্মেনীয় জাতিগত সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল।

সপ্তাহ খানেক আগে দুপুরে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল, এবং সাময়িকভাবে হলেও এই অঞ্চলে হিংসতা বন্ধ হয়। তার আগে অবশ্য আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান মস্কোয় ১০ ঘন্টা আলোচনা করে। তারপর উভয় পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে রাজি হয়েছিল। এ যুদ্ধবিরতিটি উভয় পক্ষই বন্দী বিনিময় এবং মৃতদেহ উদ্ধারের উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল।

চলতি মাসের শুরুতে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানান আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছে। যা বিশ্ব শান্তির অনুকূল নয়। দ্রুত অবস্থা স্বাভাবিক করার আহ্বান জানায়  ভারত।

দুটি দেশই একদা সোভিয়েত অন্তর্ভুক্ত ছিল। অবলুপ্ত সেই সোভিয়েতের আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে সংঘর্ষ লেগেই গেল। বিশ্ব যখন কাঁপছে করোনাভাইরাসের মৃত্যু মিছিলে, তখন আরও এক মৃত্যুর গুহায় পরিণত হচ্ছে দুটি দেশের মধ্যে বিতর্কিত অংশ নাগোরনো-কারাবাখ এলাকা।

বিবিসি ও আল জাজিরার খবর অনুযায়ী, প্রবল সংঘর্ষ শুরু হয়েছে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে। বিবিসি জানাচ্ছে, যুদ্ধের শুরুতে প্রাথমিকভাবে মার খেয়েছে আজারবাইজান। প্রতিপক্ষ আর্মেনিয়ার হামলায় আজারবাইজানের কয়েকটি হেলিকপ্টার ও ট্যাংক বিধ্বস্ত হয়েছে। আল জাজিরার খবর, সংঘর্ষ ক্রমে বড় আকার নিয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।