কলকাতা: রাতের কলকাতার (kolkata)রাস্তায় দুষ্কৃতী (Mischief) হামলা৷ সাহায্যের নাম করে ছিনতাই, বাধা দেওয়ায় আক্রান্ত ছাত্রী(student)৷ ঘটনায় পুলিশ ২ জনকে গ্রেফতার করেছে৷ তবুও রাতের কলকাতার নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে৷

পুলিশ (police)সূত্রে খবর, দশম শ্রেণির এক ছাত্রী, তার মায়ের সঙ্গে স্কুটিতে চেপে টিউশন সেরে বাড়ি ফিরছিলেন৷ দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জ আইটিআইয়ের কাছে, তাদের স্কুটার খারাপ হয়ে যায়৷ মা ও মেয়ে স্কুটার ঠেলে নিয়ে যাচ্ছিলেন৷

অভিযোগ, সেই সময় সাহায্যের নাম করে এগিয়ে আসে দুই যুবক৷ কোনও সাহায্যের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছিল মা ও মেয়ে৷ তাস্বত্বেও তারা সাহায্যে এগিয়ে আসে, তাদের পিছু নেয়৷ কিছুদূর যাওয়ার পর ছাত্রীর ব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে৷ বাধা দিলে ছাত্রীকে মারধর করে ব্যাগটি নিয়ে মোটরবাইকে চেপে চম্পট দেয় দুস্কৃতীরা৷

কিন্তু ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে সেই রাতেই অভিযুক্ত ২ যুবককে গ্রেফতার করে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ৷ ধৃতরা হল, শেখ ফরদিন আলি(২১) ও শেখ ইমরান আলি(২২)৷ উদ্ধার হয়েছে ছিনতাই যাওয়া ব্যাগ৷ এদিকে ধৃতদের আলিপুর আদালতে তোলা হলে সোমবার পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বিচারক৷

এর আগেও রাতের কতকাতায় হেনস্থার শিকার হয়েছিলেন প্রাক্তন মিস ইন্ডিয়া তথা অভিনেত্রী উষসী সেনগুপ্ত। এমনটাই অভিযোগ৷ রাতে উবেরে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন উষসী৷ রবীন্দ্রসদনের কাছে একটি বাইক ধাক্কা মারে উবেরটিকে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই চড়াও হয় কয়েকজন যুবক। ওই যুবকের দল উবেরের ড্রাইভারকে নামিয়ে মারতে শুরু করে।

উষসী ময়দান থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে ওই এলাকা ভবানীপুর থানার আওতায় বলে পুলিশ অভিযোগ জমা নেয়নি৷ এই কারণে রাতের কলকাতায় পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তোলেন অভিনেত্রী। তিনি রাতের শহরে মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে ফেসবুক পোস্টে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন।

ওই ঘটনার জেরেও রাতে কলকাতায় মেয়েদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। উসষীর সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাকে কাড়া ভাষায় নিন্দা করা হয়েছিল নানা মহল থেকে। ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছিলেন কবি মন্দাক্রান্তা সেনও। রাতের কলকাতা কতটা নিরাপদ সে বিষয়েও আলোকপাত করে মন্দাক্রান্তা kolkata24x7-কে জানিয়েছিলেন,‘এক সময় রাতের কলকাতা নিরাপদ ছিল। রাত ১১ টার সময় বাড়ি ফিরতে অসুবিধে হত না এবং কোনও ভয় ভিতিও ছিল না। আস্তে আস্তে রাতের কলকাতা অত্যন্ত নিরাপদহীন হয়ে পড়ল। সত্যি কথা বলতে, শুধু রাত নয় এখন যেন সারা দিনটাই নারীদের পক্ষে অনিরাপদ।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।