লাহোর: প্রত্যাশা অনুযায়ীই জাতীয় দলের হেড কোচ হিসেবে মিসবা উল হক’কে নিযুক্ত করল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। তিন বছরের চুক্তিতে সরফরাজদের হেডস্যার হিসেবে নিযুক্ত হলেন জাতীয় দলের এই প্রাক্তনী। শুধু হেড কোচই নয়, নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও টেস্ট ক্রিকেটে দেশের সফলতম অধিনায়ককে নয়া দায়িত্ব প্রদান করল পিসিবি। মিসবার পাশাপাশি প্রাক্তন কোচ তথা কিংবদন্তি ওয়াকার ইউনিসকে বোলিং কোচ হিসেবে নিয়োগ করল সেদেশের ক্রিকেট বোর্ড।

বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পর মিকি আর্থারকে জতীয় দলের হেড কোচের পদ থেকে অব্যাহতি দেয় পিসিবি। পরিবর্তে প্রথম পছন্দ হিসেবে শুরু থেকেই তালিকার প্রথমে ছিলেন মিসবা। সেই অনুযায়ী গত মাসে লাহোরে অনুষ্ঠিত জাতীয় দলের ট্রেনিং ক্যাম্পে তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে মিসবাকেই নিযুক্ত করেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ক্যাম্প চলাকালীনই জাতীয় দলের কোচ হিসেবে মিসবার নাম আরও জোরালো হয়। একইসঙ্গে নির্বাচক কমিটির চেয়ারম্যান পদেও মিসবাকে দেখতে চায় পিসিবি। তবে প্রাথমিকভাবে এমন প্রস্তাবে বেঁকে বসলেও পরে জাতীয় দলের কোচের পদে আবেদন করেন টেস্ট ক্রিকেটে দেশের সবচেয়ে সফল অধিনায়ক।

উল্লেখ্য, মিসবার সঙ্গে জাতীয় কোচের দৌড়ে ছিলেন ইন্তিখাব আলম, বাজিদ খান, আসাদ আলি খান, ওয়াসিম খান ও জাকির খান। নির্দিষ্ট প্রক্রিয়াকরণের মধ্যে দিয়েই প্রথম পছন্দ মিসবাকে হেড কোচ পদে নিয়োগ করে পিসিবি। মিসবার চাহিদা মতোই বোলিং কোচ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে ওয়াকার ইউনিসের নাম। দু’টি নিয়োগ প্রক্রিয়াকেই সমর্থন জানিয়েছেন বোর্ড সভাপতি এহসান মানি। অধিনায়ক এবং কোচ হিসেবে এর আগে পাকিস্তান জাতীয় দলের দায়িত্ব সামলেছিলেন মিসবা ও ওয়াকার। জাতীয় দলে এই দুই প্রাক্তনীর নয়া ইনিংস শুরু হচ্ছে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর শ্রীলঙ্কা সিরিজের মধ্যে দিয়ে।

নয়া দায়িত্ব পেয়ে মিসবা জানান, ‘কেরিয়ারে একজন ক্রিকেটার হিসেবে যেভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করে এসেছি, নয়া ভূমিকাতেও একইভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করব।’ পাশে বোলিং কোচ হিসেবে ওয়াকার ইউনিসকে পেয়ে উচ্ছ্বসিত মিসবা। এপ্রসঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের নয়া হেড কোচ জানান, ‘আমাদের দলে একাধিক তরুণ প্রতিভাবান ফাস্ট বোলার রয়েছে। তাদের তারকায় পরিণত করতে ওয়াকার ইউনিসের থেকে ভালো আর কেউ পারবেন না।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।