লাহোর: নক-আউট পর্যায়ে যোগ্যতা অর্জনের আগেই বিশ্বকাপ থেকে বিদায়। বিশ্বক্রিকেটের সেরা মঞ্চে হতাশাজনক ফলাফলের কারণে বিশ্বকাপ পরবর্তী সময়ে পাকিস্তান ক্রিকেটে আসতে চলেছে বেশ কিছু পরিবর্তন। যার প্রাথমিক ধাপ হিসেবে ইতিমধ্যেই কোচ মিকি আর্থার ও তাঁর সাপোর্ট স্টাফদের সঙ্গে চুক্তি পুনর্নবীকরন না করেই তাদের ছেঁটে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেদেশের ক্রিকেট বোর্ড। সূত্রের খবর, প্রোটিয়াজাত কোচ আরও দু’বছর সরফরাজদের কোচের পদে থাকার ইচ্ছেপ্রকাশ করলেও তাঁর ইচ্ছেকে প্রাধান্য দেয়নি পিসিবি।

সে যাইহোক, আর্থারের ছেড়ে যাওয়া জুতোয় কে পা গলাবেন সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন পাকিস্তান ক্রিকেটে। এক সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, দেশের জার্সি গায়ে ৭৫টি টেস্ট ও ১৬২টি ওয়ান-ডে ম্যাচ খেলা প্রাক্তন অধিনায়ক মিসবা উল-হক সরফরাজদের কোচ হওয়ার দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন। কোচ হিসেবে এই মুহূর্তে কোনও অভিজ্ঞতা মিসবার ঝুলিতে না থাকলেও বর্তমান ক্রিকেটারদের প্রায় প্রত্যেকের চোখেই দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক শ্রদ্ধার পাত্র। সেক্ষেত্রে কোচ হিসেবে পাকিস্তান জাতীয় দলের দায়িত্বভার গ্রহণ করলে সেটাই হবে মিসবার প্রথম কোচিং অভিজ্ঞতা।

আরও পড়ুন: ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে নেই গেইল

২০১৭ ওয়েস্ট ইন্ডিজের সফরের পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছিলেন অভিজ্ঞ এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। ২০০৭ টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম সংস্করণে তাঁর নেতৃত্বেই রানার্স হয়েছিল পাকিস্তান। তবে অধিনায়ক হিসেবে মিসবার সবচেয়ে বেশি সাফল্য পাঁচদিনের ক্রিকেটে। টেস্ট ক্রিকেটে পাকিস্তানের অন্যতম সফল অধিনায়ক হিসেবে গণ্য করা হয় মিসবাকে। ৫৬টি টেস্টে অধিনায়ক হিসেবে ২৬টি টেস্টে জয়ের নজির রয়েছে মিসবার ঝুলিতে, ড্র ১১টি’তে। হার ১৯টি ম্যাচে। ৭৫ টেস্টে ১০টি শতরান সহযোগে মিসবার সংগৃহীত রানসংখ্যা ৫,২২২।

আরও পড়ুন: ৫৫ বলে সেঞ্চুরি হাঁকালেন বিধ্বংসী বাবর আজম

তবে কেবল মিসবাই নন, বাবর আজমদের কোচের দৌড়ে শোনা যাচ্ছে মাইক হেসনের নামও। ২০১৫ কোচ হিসেবে নিউজিল্যান্ডকে ফাইনালে তুলেছিলেন হেসন। তবে বর্তমান স্কোয়াডের অনেক ক্রিকেটারের সঙ্গেই জাতীয় দলে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে মিসবার, যা কোচের দৌড়ে এগিয়ে রাখছে দেশের প্রাক্তন অধিনায়ককে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।