কলকাতা: সোমবার বিশ্ব জুড়ে পালিত হচ্ছে মুসলিমদের পবিত্র উৎসব। লক্ষ লক্ষ মানুষ পৌঁছেছেন হজে। ভারত-বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশের মুসলিমরা সামিল হয়েছেন উৎসবে।

এই ইদকে বকরিদ বলা হয়। এই দিনে সাধারণমধ মুসলিমদের কুরবানি দেওয়ার প্রথা প্রচলিত আছে। গরু কিংবা ছাগল কুরবানি দিয়ে থাকেন তাঁরা। তবে এদিন এক অন্য বার্তা দিলেন জনপ্রিয় রেডিও জকি ও সঞ্চালক মীর।

এদিন তিনি বার্তা দিয়েছেন, গোরু ছাগল নয়, আসলে মন খারাপ উদ্দেশ্যেগুলো কুরবানি দেওয়া বা ত্যাগ করাই লক্ষ্য হওয়া উচিৎ এই পবিত্র উৎসবে।

এদিন ইদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ”কুরবানি। পবিত্র দিন। গোরু ছাগল তো আমরা কুরবানি দেবো। প্রতি বারের মতন। ত্যাগের উৎসব বলে কথা।”

তবে আসলে কোন কুরবানির কথা বলে ধর্ম, সেই ব্যাখ্যাই দিয়েছেন তিনি। লিখেছেন, ”ইগো ত্যাগ করবো কবে? সাম্প্রদায়িক মানসিকতা ত্যাগ করবো কবে? কবে ত্যাগ করবো মিথ্যে অহংকার, মেকী সভ্যতার ছায়া? কবে বাদ দেবো পুত্র ও কন্যা সন্তানের মধ্যে ফারাক করা? কবে ত্যাগ করবো ধর্মের নামে মানুষ মারার নেশা? কবে ত্যাগ করবো অন্যের বিশ্বাসে আঘাত করার বদ অভ্যেস? কবে দেবো এই সব কিছুর কুরবানি???

একদিকে যখন হিন্দু-মুসলিম সংঘাতের খবর উঠে আসে খবরের কাগজের পাতা জুড়ে, তখন উৎসবের দিনে মীরের এই বার্তা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।