ফাইল ছবি

নয়াদিল্লি : একেই বলে চোরের মায়ের বড় গলা। পাকিস্তান একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে মুসলিম সংখ্যালঘুদের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলে আসছে। এবার সেই পাকিস্তানেই আরও একবার নিগ্রহের শিকার হল সংখ্যালঘু হিন্দু। এক হিন্দু নাবালিকাকে অপহরণের অভিযোগ উঠল মুসলিম ধর্মগুরু মিয়ান মিথুর বিরুদ্ধে। শুধু অপহরণই নয়, রীতিমত ধর্মান্তরিত করা হয়েছে ওই হিন্দু নাবালিকাকে, বলে অভিযোগ।

১৩ বছরের ওই বালিকাকে সিন্ধ প্রদেশের ঘোটকী এলাকা থেকে অপহরণ করা হয়। সেখান থেকে নিয়ে যাওয়া হয় ওই ধর্মগুরুর কাছে। তিনি ওই বালিকার ইসলামে ধর্মান্তকরণ করেন বলে অভিযোগ। এই ঘটনা সামনে আনেন পাকিস্তানি সমাজকর্মী রাহাত অস্টিন। গোটা ঘটনার একটি ভিডিও করেন তিনি। তারপর তা প্রকাশ করেন।

২০১৯ সালেও এক শিখ বালিকাকে জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করার অভিযোগ আসার ফলে বড়সড় প্রশ্নের মুখে দাঁড়ায় ইমরান খান সরকার। ওই বালিকার পরিবার সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি ভিডিও আপলোড করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করে তাদের মেয়েকে উদ্ধার করে দেওয়ার জন্য।

এমনিতেই পাকিস্তানে শিখ সংখ্যালঘু হিসেবে পরিচিত এবং সেখানে জোর করে অন্য ধর্মের মানুষকে জোর করে ইসলাম ধর্ম নিতে বাধ্য করার অভিযোগ নতুন নয়। আবারও এই অভিযোগ ওঠার কারনে নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্নের মুখে পাক সরকার। সাংসদ মাঞ্জিন্দার এস সিরসা তার টুইটার থেকে ভিডিওটি শেয়ার করেছেন যেখানে দেখানো হচ্ছে মেয়েটিকে জোর করা হচ্ছে অন্যথায় তার বাবা ও ভাইকে গুলি করা হবে বলেও ভয় দেখানো হয়েছে।

প্রশ্ন অনেক: দ্বিতীয় পর্ব