নয়াদিল্লি: মাদ্রাসার নাবালিকা ছাত্রীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল এক মৌলবীর বিরুদ্ধে৷ ওই ছাত্রী বাড়ি ফিরে আসার পর তার পিঠে একাধিক দাগ দেখতে পান ছাত্রীর বাবা৷ পাওয়া যায় বেল্টের দাগ ও ব্রাশের সুতো৷ তা দেখেই সন্দেহ হয় ছাত্রীর পরিবারের৷

নাবালিকাকে নির্মম ভাবে মারার প্রতিবাদে মৌলবী লাদাক হুসেনের বিরুদ্ধে নয়ডার সেক্টর ৪৯ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ছাত্রীর বাবা৷ সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় ওই অভিযুক্ত মৌলবীকে৷ পড়ানোর নামে প্রায়ই এই মৌলবী মারধর করেন বলে অভিযোগ৷ পুলিশ সূত্রে খবর নয়ডা সেক্টর ১১৫তে অবস্থিত এই মাদ্রাসায় দীর্ঘদিন ধরেই পড়াচ্ছেন মৌলবী হুসেন৷ কিন্তু ছ বছরের একটি ছাত্রীকে এভাবে মারধরের ঘটনায় চাঞ্চল্য পড়ে গিয়েছে৷

আরও পড়ুন : শ্রীলঙ্কা বিস্ফোরণ: পরিবার হারিয়েছে দুশোরও বেশি শিশু

মৌলবীর কড়া শাস্তির দাবি করেছে ছাত্রীর পরিবার৷ মাদ্রাসায় গিয়ে নিজে খোঁজ খবর করতে গিয়ে তাঁকে রীতিমত জনা দশেকের হুমকির মুখে পড়তে হয় বলে অভিযোগ ছাত্রীর বাবার৷ হাতে লাঠি নিয়ে তাঁকে মারধরের ভয় দেখানো হয়েছিল বলে খবর৷
ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩২৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে অভিযুক্ত মৌলবীর বিরুদ্ধে৷ থানার স্টেশন হাউস অফিসার অজিত আগরওয়াল জানান ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে৷

এর আগে, মে মাসের প্রথম সপ্তাহে জঙ্গি যোগের অভিযোগে এক মৌলানাকে গ্রেফতার করেছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। সেই মৌলানাকে নিয়ে মাদ্রাসায় তল্লাশি চালায় এনআইএ। যার জেরে সমগ্র এলাকায় ছড়ায় উত্তেজনা।

আরও পড়ুন : কোনও সার্জিক্যাল স্ট্রাইকই হয়নি কংগ্রেসের আমলে : রাজনাথ সিং

ঘটনাটি ঘটে উত্তর প্রদেশের আমরাহো এলাকায়। ওই এলাকার জামা মসজিদ সংলগ্ন মাদ্রাসায় অভিযান চালায় এনআইএ। এদিন বিকেলে আমরাহো পুলিশ সুপারের অফিসে চারটে গাড়িতে করে পৌঁছে যায় এনআইএ-র বিশেষ দল।

স্থানীয় নগর কোতওয়ালি ও দেহটি থানার পুলিশ এবং পুলিশ সুপার ডাঃ বিপিন টাডাকে সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় এনআইএ। সিও সদর জীতেন্দ্র সিং-এর নেতৃত্বে ওই দল বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ ওই মাদ্রাসায় পৌঁছায়।

উল্লিখিত মাদ্রাসায় চারটি গেট রয়েছে। ঢুকেই ওই সকল গেট বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেয় এনআইএ। প্রতিনিধিদলটি মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এবং মাদ্রাসার কর্মীদের কথা বলে। মাদ্রাসার পড়ুয়াদের সঙ্গেও কথা বলেন এনআইএ কর্তারা।