বর্ধমান: সরল মনেই দাদুর ডাকে দাদুর সঙ্গেই বাড়িতে গিয়েছিল ১৪ বছরের নাবালিকা। কিন্তু সেই দাদুই যে এমন কাণ্ড ঘটাবে, তা ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেনি ১৪ -এর নাবালিকা। প্রতিবেশী নাবালিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল এক বৃদ্ধের বিরুদ্ধে।

প্রতিবেশী নাবালিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগে ৬১ বছরের ওই বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে মেমারি থানার পুলিশ। ধৃতের নাম শ্যামলাল প্রামাণিক। মেমারি থানার রসুলপুরের নতুনরাস্তা এলাকায় তার বাড়ি। বুধবার ভোরে বাড়ি থেকে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

ধৃতকে বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে বৃহস্পতিবার ধৃতকে পকসো আদালতে পেশের নির্দেশ দেন ভারপ্রাপ্ত সিজেএম সোমনাথ দাস। নাবালিকার মেডিকেল পরীক্ষা করিয়েছে পুলিস। ধৃতের মেডিকেল পরীক্ষা এবং নাবালিকার গোপন জবানবন্দি নথিভূক্ত করার জন্য আবেদন জানিয়েছেন তদন্তকারী অফিসার। বৃদ্ধ এবং নাবালিকার ঘটনার সময়ের পরনের পোশাক বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন – বৃহস্পতিবার সন্ধের পর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাস

পুলিশ জানিয়েছে, রবিবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ বছর চোদ্দোর ওই নাবালিকাকে বাড়িতে ডাকে বৃদ্ধ। তাকে দাদু বলে ডাকে নাবালিকা। সরল বিশ্বাসে বৃদ্ধের বাড়িতে যায় নাবালিকা। বাড়িতে নিয়ে গিয়ে বৃদ্ধ নাবালিকার শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ। কোনও রকমে নিজেকে মুক্ত করে বাড়ি ফিরে ঘটনার কথা মাকে জানায় নাবালিকা। এরপর নাবালিকার মা পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে শ্লীলতাহানি (৩৫৪আইপিসি) ও পকসো অ্যাক্টের ৮ ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিস।