লখনউ: ফের উত্তরপ্রদেশ। যোগীরাজ্যে মৃত্যু হল এক ধর্ষিতার। তাঁর গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে পরিবার। মৃতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত ধর্ষক, (যে কিনা জেলে রয়েছে) তাঁর দুই বন্ধু ও এক আত্মীয়কে গ্রেফতার করেছে।

সিনিয়র পুলিশ সুপার সন্তোষ কুমার সিং সাংবাদিকদের বলেন, ধর্ষণে অভিযুক্তের কাকা ও তাঁর বন্ধুরা ক্রমাগত ওই ১৫ বছরের নাবালিকা মেয়েটিকে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দিচ্ছিল।

চলতি বছরের ১৫ অগস্ট ধর্ষণ করা হয় ওই নাবালিকাকে। এরপরেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। সে এখনও জেলেই আছে। কিন্তু নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগ, জেলে থাকা অভিযুক্তের দুই বন্ধু ও কাকা আগুন লাগিয়েছে নির্যাতিতার ওপরে।

আরও পড়ুন – শহিদ জওয়ানকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে বিজেপি সাংসদকে বাধা পুলিশের, রিপোর্ট তলব রাজ্যপালের

মঙ্গলবার সকাল আটটায় আগুনে পুড়ে আহত অবস্থায় হাসপাতালে আসে নির্যাতিতা। তাকে চিকিৎসার জন্য দিল্লিতে পাঠানো হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।

সকাল ১১ টা অবধি জানা গিয়েছিল মেয়েটি নিজেই গায়ে আগুন দিয়েছিল। কিন্তু পরে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, অন্যরা তাঁর গায়ে আগুন দিয়ে দিয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করা হবে। আপাতত তিনজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

বুলান্দশহরের সরকারি হাসপাতালে তোলা একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সে জানিয়েছে, ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্তদের পরিবারের চাপ ও হুমকির পরে সে নিজের গায়ে আগুন দিয়েছে। তবে পরিবারের অভিযোগ, তাঁর গায়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.