স্টাফ রিপোর্টার : মাধ্যমিকে ফলাফল ঘোষণার পর জেলায় জেলায় জয়জয়কার৷ পাশের হার ও মেধাতালিকায় কলকাতাকে ছাপিয়ে গিয়েছে জেলাগুলি৷ সেই খুশিতে কৃতী পড়ুয়াদের সম্বর্ধনা দিতে উপস্থিত হয় মন্ত্রীরা৷

প্রথম স্থান অধিকার করেছে পূর্ব মেদিনীপুরের সৌগত দাস। সে এখন জেলার গর্ব৷ মহম্মদপুর দেশ প্রাণ বিদ্যাপীঠ থেকে পরীক্ষা দিয়েছ৷ তার প্রাপ্ত নম্বর ৬৯৪৷ বুধবার সৌগত দাসের বাসভবনে গিয়ে সম্বর্ধনা দিলেন রাজ্যের পরিবহন ও পরিবেশ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ফুল, মিষ্টি দিয়ে মন্ত্রী তাকে সংবর্ধনা জানান। পাশাপাশি তার পাশে থাকার কথাও জানান শুভেন্দু বাবু।

অন্যদিকে, মাধ্যমিকে রাজ্যের মেধা তালিকায় ষষ্ঠ হাওড়ার অঙ্কন চক্রবর্তী৷ তার ঝুলিতে মোট নম্বর ৬৮৫৷ বুধবার বিকেলে আন্দুলের মৌড়ি রথতলার ভট্টাচার্য্যপাড়ায় অঙ্কনের বাড়িতে এসে তাকে শুভেচ্ছা জানান রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়। আন্দুল মহিয়াড়ি কুণ্ডু চৌধুরী ইন্সটিটিউশনের ছাত্র অঙ্কনকে তার অভাবনীয় সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানান।

ভবিষ্যতে পড়াশোনার বিষয়ে প্রয়োজনে তার পাশে থাকার বার্তা দেন মন্ত্রী। এদিন অরূপবাবুর সঙ্গে ছিলেন সুশোভন চট্টোপাধ্যায়, অরূপেশ ভট্টাচার্য প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। বড় হয়ে ডাক্তার হতে চায় সে। ডাক্তার হয়ে গরিব মানুষের সেবা করতে চায়। মেডিকেল নিয়ে পড়ার ইচ্ছে রয়েছে তার।

বুধবার মাধ্যমিকে রাজ্যে নবম অনুষ্কা মহাপাত্রকে সংবর্ধনা জানালেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী গৌতম দেব। এদিন সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের আবাসনে এসে মন্ত্রী সংবর্ধনা জানান এই কৃতীকে। পুষ্পস্তবক, মিষ্টি ও বই দিয়ে এদিন মন্ত্রী গৌতম দেব অনুষ্কাকে উৎসাহিত করেন। তাঁর এই সাফল্যে খুশি মন্ত্রী৷ মন্ত্রীর কাছ থেকে সংবর্ধনা পেয়ে স্বভাবতই খুব খুশি অনুষ্কা।

অনুষ্কা জানায়, “সত্যিই খুব ভালো লাগলো।” অনুষ্কার বাবা অসীম মহাপাত্র ও মা শিপ্রা মহাপাত্রও এদিন মন্ত্রী গৌতম দেব ঘরে এসে মেয়েকে সংবর্ধনা জানানোয় আবেগে আপ্লুত হয়েছেন। মন্ত্রী বলেন, “উত্তরবঙ্গের সব কৃতী ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছি। জলপাইগুড়ি পাশাপাশি হওয়ায় এসে সংবর্ধনা জানিয়ে গেলাম এই কৃতীকে। যদি কখনও কোনও প্রয়োজন হয় তাহলে আমি অবশ্যই অনুষ্কার পাশে আছি।”