বেঙ্গালুরু: বেঙ্গালুরুতে সংঘর্ষের ঘটনায় যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা সংঘর্ষের সঙ্গে যুক্ত মানুষজনের কাছ থেকেই পূরণ করা হবে। এমনটাই জানাল কর্ণাটক সরকার। সেইসঙ্গে বেঙ্গালুরুর এই ঘটনা পূর্ব পরিকল্পিত বলেও জানানো হয়েছে। বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকেও চিহ্নিত করেছে পুলিশ।

পড়ুন আরও- পাকিস্তান ক্রিকেটকে ধ্বংস করেছে ইমরান, বিস্ফোরক অভিযোগ সতীর্থের

‘ইন্ডিয়া টুডে’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কর্ণাটকের মন্ত্রী সিটি রবি বলেন, ‘সংঘর্ষটা ছিল পূর্ব পরিকল্পিত। পেট্রোল বোমা ও পাথর ব্যবহার করা হয়েছে। অন্তত ৩০০ গাড়ি জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের হাতে সন্দেহভাজনের তালিকা রয়েছে, তবে তা তদন্তসাপেক্ষ।’

তিনি আরও বলেন, সংঘর্ষ যারা ঘটিয়েছে, তাদের থেকেই ক্ষতিপূরণ নেওয়া হবে। তিনি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী যে কোনও রাজ্যেই যদি কোনও সংঘর্ষের ঘটনায় সরকারি সম্পত্তিতে ক্ষয়ক্ষতি হয়, তাহলে অভিযুক্তদের থেকেই সেই ক্ষতিপূরণ করা হয়।’

কর্ণাটকের আরও এক মন্ত্রী আর অশোকও বলেন, এই ঘটনা পরিকল্পিত। এই ধরনের ঘটনা যাতে আর না ঘটে, তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার রাতে উত্তেজনা ছড়ায় বেঙ্গালুরুর ডিজে হাল্লি এলাকায়। ‘ব্যাঙ্গালোর মিরর’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, অভিযোগ ওঠে, কংগ্রেস বিধায়ক আর অখণ্ড শ্রীনিবাস মূর্তির এক আত্মীয় ফেসবুকে একটি বিতর্কিত পোস্ট করেন। এরপরেই বিক্ষোভকারীরা তাঁর বাড়ি ঘিরে ধরে। এমনকি পুলিশের উপরও হামলা চালানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে। ঘটনায় ১১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশের গুলিতে মৃত্যু বলে অভিযোগ।

পরিস্থিতি বুঝে রাতেই ওই এলাকায় জারি করা হয় ১৪৪ ধারা। জানা গিয়েছে, স্থানীয়র থানায় গিয়ে ওই বিধায়কের আত্মীয়ের বিরুদ্ধে এফআইআর করতে চেয়েছিলেন বিক্ষোভকারীরা। কিন্তু অভিযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশ গুরুত্ব দেয়নি বলে দাবি, তখন বিক্ষোভ শুরু হয়। ডিসিপি-র উপরেও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ।

অন্যদিকে বিধায়কের ওই আত্মীয় জানিয়েছেন, তাঁর অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল। ওই পোস্টের বিষয়ে কিছু জানেন না তিনি। কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘটনায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও