স্টাফ রিপোর্টার, তমলুক ও বহরমপুর: মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক কৃতি ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা ও উপহার সামগ্রী তুলে দিলেন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী৷

গত ৮ বছর ধরে শতাংশের ভিত্তিতে পাশের হারে প্রথম স্থান দখল করে চলেছে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। সেই সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে মেধাতালিকায় রয়েছে অনেকেই।

মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা পরিষদের সভাগৃহে আয়োজিত হয় সংবর্ধনা সভা। সেই সংবর্ধনা সভায় উপস্থিত হয়ে রাজ্যের পরিবহন, সেচ ও জলসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছাত্রছাত্রীদের জানায়, উচ্চ শিক্ষার জন্য অর্থ কোন বাধা হবে না। জেলাপ্রাশন, আমরা সকলেই তাদের পাশে আছি। উচ্চ শিক্ষার জন্য যে কোন সমস্যা হলে যোগাযগের কথাও ছাত্রছাত্রীদের জানায় মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন মন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলে জেলাশাসক পার্থ বিশ্বাস, জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবব্রত দাস, সহ সভাধিপতি শেখ সুফিয়ান, জেলা পরিষদের শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ মধুরিমা মন্ডল সহ অন্যান্যরা। এদিন মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, মাদ্রাসা মিলে মোট ২০ জন ছাত্রছাত্রীদের হাতে ১০ হাজার টাকা, শিক্ষা সামগ্রিক, ফুল মিষ্টি তুলে দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, উচ্চ মাধ্যমিকে কৃতী তিন পড়ুয়াকে কলেজে ভরতির জন্য অর্থ সাহায্য তুলে দিলেন মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সভাধিপতি মোশারফ হোসেন।

মুর্শিদাবাদের নওদা থানার সর্বাঙ্গপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের তিন পড়ুয়া এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ভালো ফল করেছে। প্রত্যন্ত এলাকার হত দরিদ্র এই তিন সন্তানের পাশে থাকতে এবার এগিয়ে এলো মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের সভাধিপতি মোশারফ হোসেন। এই তিন কৃতী পড়ুয়ার উচ্চশিক্ষায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল আর্থিক অনটন৷ সেই খবর পান জেলা পরিষদের সভাধিপতি। মঙ্গলবার দুপুরে মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের এই কৃতী পড়ুয়ার হাতে কলেজে ভরতির অর্থ তুলে দেন তিনি৷

সর্বাঙ্গপুর এলাকায় বাসিন্দা সর্বাঙ্গপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র সুমন মণ্ডল এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৪৩৭ নম্বর পেয়েছে, শিল্পা মণ্ডল ৪৩৬ এবং ওই স্কুলের ছাত্র রমেশ কবিরাজ পেয়েছে ৪১৬ নম্বর। উচ্চ শিক্ষার লক্ষ্যে সুমন মণ্ডল ভূগোল নিয়ে লালবাগ কলেজে ভরতি হতে চায়৷ শিল্পা মণ্ডল বহরমপুর কমার্স কলেজ থেকে ভূগোল নিয়ে পড়তে চায়৷ পাশাপাশি রমেশ কবিরাজও ভূগোল নিয়ে বেল-ডাঙ্গা এসআরএফ কলেজে ভরতি হতে চায়। শুধু ভরতির অর্থ নয়, আগামী দিনে উচ্চশিক্ষার জন্য এই তিন কৃতি পড়ুয়ার পাশে থাকার কথা জানালেন জেলা পরিষদ সভাধিপতি।