হাওড়া: পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন আছেন ততদিন সকল সম্প্রদায়ের মানুষ বাংলায় নিশ্চিন্তে থাকতে পারবেন, মুখ্যমন্ত্রী প্রতিটি ধর্ম সম্প্রদায়ের মানুষকে রক্ষা করবেন, বাংলায় এনআরসি এবং নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে মুখ্যমন্ত্রীকে সমর্থন জানিয়ে এমনটাই বললেন রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, কোনওভাবেই পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি হবে না, সিএএ মানা হবে না।

শনিবার হাওড়া ময়দানের মেট্রো চ্যানেলে তৃণমূলের এক অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়। তিনি বলেন, এমন কেউ নেই যে সাধারণ মানুষের অধিকার কেড়ে নিতে পারবে। বিজেপি বাংলায় অশান্তি ছড়াচ্ছে”।

কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর তোপ দেগে এদিন মন্ত্রী বলেন, “সিবিআইয়ের ভয় দেখিয়ে কিছু হবে না। ওঁরা এমনিতেই অনেককে জেলে ঢুকিয়েছে। তৃণমূলকে সিবিআইয়ের ভয় দেখিয়ে কিছু হবে না। নোটবন্দি করায় লাভবান বিজেপির পকেটে ভালোই টাকা ঢুকেছে”।

নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদে রাজ্যের একাধিক জায়গায় ক্ষতি হয়েছে, সেই উল্লেখ টেনে তিনি বলেন, “বাংলায় বাস পোড়ানো হয়েছে। ভাঙচুর করা হয়েছে। পুলিশকে মারা হয়েছে। বিজেপি বাংলায় দাঙ্গা লাগানোর চেষ্টা করছে। বাংলার ক্ষমতা দখল করার চেষ্টা চলছে। বাংলার মানুষকে বিতাড়িত করার চেষ্টা চলছে। আমরা সর্বধর্মের মানুষ বাংলায় থাকি। আমাদের মধ্যে কোনও বিভেদ নেই। এখানে ষড়যন্ত্র চক্রান্ত করা হলে আগামীদিনে ওরা তার যোগ্য জবাব পেয়ে যাবে। কেউ ভয় পাবেন না”।

এনআরসি ও সিএএ কানুনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে এদিন সকাল দশটা থেকে বিকেল চারটে পর্যন্ত হওড়া ময়দান মেট্রো চ্যানেলে (জি টি রোড) এক অবস্থান বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

মধ্য হাওড়া কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাওড়া জেলা সদর তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি তথা রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায়। উপস্থিত ছিলেন সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, তৃণমূল নেতা সুপ্রীতি চট্টোপাধ্যায়, শ্যামল মিত্র, সুশোভন চট্টোপাধ্যায়, অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, শেখ ইসলামউদ্দিন লালা, গৌতম দত্ত সহ জেলা ও ব্লক স্তরের নেতৃবৃন্দ।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।