মুম্বই: ২০২০ সালটা মিনিশা লাম্বার জন্য বেশ কঠিন ছিল। কারণ, বিবাহ বিচ্ছেদের জন্য কোটের দ্বারস্থ হতে হয় তাঁকে। কঠিন বাস্তবকে মেনে নিয়ে ইতি টানতে হয়েছিল নিজের দাম্পত্য জীবনের। আজ বিচ্ছেদের প্রায় এক বছর পর নিজের ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন নায়িকা।

নবভারত টাইমসে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি বলব প্রত্যেক মানুষের ভালোভাবে বাঁচার অধিকার আছে। এখনও আমাদের সমাজে বিবাহ বিচ্ছেদকে খারাপভাবে দেখা হয়। কিন্তু, এখন সময় বদলেছে। মেয়েরা নিজের পায়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের নিজস্ব মতামত আছে। তাই বিয়েতে খুশি না থাকলে বেরিয়ে আসার অধিকার আছে তাঁদের।’

২০১৩ সালে মুম্বইয়ের একটি নাইট ক্লাবে রায়ান থামের সঙ্গে প্রথম দেখা হয় অভিনেত্রীর। প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর প্রেম। বন্ধুত্ব থেকে প্রেম হতে খুব বেশি দিন লাগেনি। এরপর ২০১৫ সালে তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন এক সঙ্গে থাকার। প্রেমকে পরিণতি দেওয়ার। এরপর পরিবার ও ঘনিষ্ঠদের উপস্থিতিতে বিয়ে করেন। প্রথমে সব ঠিক থাকলেও কার যেন কুনজর পড়ল মিনিশার সংসারে। বিয়ের পাঁচ বছরের মাথায় এমনই সমস্যা শুরু হল যে তারা ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেন। মিনিশার কথায় সম্পর্কটা বিষিয়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ নয়। কিন্তু, আমি মনে করি সম্পর্ক বিষাক্ত হয়ে গেল তার থেকে বেরিয়ে আসা উচিত।

প্রসঙ্গত, ২০০৫ সালে ইহান (Yahaan) ছবি দিয়ে বক্স অফিসে পা রাখেন। এরপর হানিমুন ট্রাভেলস (Honeymoon Travels), ভেজা ফ্রাই 2 (Bheja Fry 2), জোকার (Joker) থেকে জিলা গাজিয়াবাদ (Zila GhaZiabad) ছবিতে কাজ করেন। মিনিষার ঝুলিতে রয়েছে বহু ছবি। তিনি কাজও করেছেন বহু স্টারের সঙ্গে। বাচনা হ্যায় হাসিনো ছবিতে তাঁর ও রণবীর কাপুরের কেমিস্ট্রি বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছিল বলিপাড়ায়। এই ছবিতে মাহির চরিত্রে সকলের নজর কাড়েন। হিন্দি ছাড়াও পাঞ্জাবি ছবিতে কাজ করেছেন মিনিষা লাম্বা। বড় পর্দার পাশাপাশি টেলিভিশন শো-তে কাজ করেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.