চন্ডীগড়: তিনি ফুটবলার নন। তবে ফুটবল প্রশাসক হিসেবে ভারতীয় ফুটবলে তাঁর যা পরিচিতি, তা ফুটবলারদেরও হার মানায়। ২০১৭-১৮ জেসিটি’র পর পঞ্জাবের দ্বিতীয় ক্লাব হিসেবে মিনার্ভা পঞ্জাবের আইলিগ জয়ের অন্যতম কান্ডারি ছিলেন তিনি। এহেন রঞ্জিত বাজাজ ভারতীয় ফুটবলের উন্নতির জন্য ফেডারেশনের সঙ্গে সংঘাতে গিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন বহুবার। তবু তিনি ভারতীয় ফুটবলের একজন চরম পৃষ্ঠপোষক এবং সেটাই সত্যি। করোনাকালে এবার এক মহৎ উদ্যোগ নিলেন পঞ্জাবের মিনার্ভা অ্যাকাডেমির মালিক এবং ডিরেক্টর রঞ্জিত বাজাজ। তাঁর মিনার্ভা অ্যাকাডেমিকে অস্থায়ী কোভিড হাসপাতালে পরিণত করার সমস্ত ব্যবস্থা করে ফেলেছেন তিনি।

পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং’য়ের সহায়তায় চন্ডীগড়ের মিনার্ভা অ্যাকাডেমির ডর্মিটিরি, মেস, অডিটোরিয়ামকে কোভিড হাসপাতালে পরিণত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ভারতীয় ফুটবলের এই বর্ণময় চরিত্র। দেশজুড়ে আছড়ে পড়া কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভেঙে পড়েছে স্বাস্থ্যব্যবস্থা। দেশজুড়ে যে হারে করোনা সংক্রামিত হচ্ছে মানুষ, তাতে হাসপাতালে স্থান সংকুলান অসম্ভব হয়ে পড়ছে। এমন সময় আর্ত, বিপর্যস্ত মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়ে রঞ্জিত বাজাজের এই সিদ্ধান্ত যে কত বড় সাহসী এবং কুর্নিশযোগ্য, সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।

মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এই মহৎ উদ্যোগের কথা ঘোষণা করেছেন রঞ্জিত বাজাজ নিজেই। তিনি এব্যাপারে সাহায্যের হাতও চেয়েছেন। রঞ্জিত বাজাজ লিখেছেন, ‘আমরা মিনার্ভা অ্যাকাডেমির হোস্টেল, মেস এবং অডিটোরিয়ামকে কোভিড হাসপাতালে পরিণত করতে উদ্যত হয়েছি। কোনও পরোপকারী ব্যক্তি যদি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে চান তাহলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করুন। ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং এবং ভিপি সিং বাদনোরের সঠিক সহযোগীতা পেলে আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে আমরা ৩০০ বেডের পরিষেবা প্রস্তুত করতে পারব।’

উল্লেখ্য, এর আগে কলকাতার ক্রমবর্দ্ধমান সংক্রমণের কথা ভেবে শহরের দু’টি স্টেডিয়ামকে কোভিড হাসপাতাল বানিয়েছে রাজ্য সরকার। প্রথমে নবনির্মিত কিশোর ভারতী স্টেডিয়াম এবং পরে যুবভারতীর ডর্মিটরিকে কোভিড স্যাটেলাইট সেন্টার হিসেবে গড়ে তুলেছে রাজ্য সরকার। মেডিকা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের সহযোগীতায় কিশোরভারতীতে চালু হয়েছে ২০০ বেডের কোভিড হাসপাতাল। অন্যদিকে আমরি হাসপাতালের সহযোগীতায় বাংলা ফুটবলের প্রাণকেন্দ্র যুবভারতীতে ২৫০ বেডের কোভিড স্যাটেলাইট সেন্টার তৈরি হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.