কলকাতা: তাঁকে নিজের সঙ্গে রেখে দেওয়ার চেষ্টার কোন কমতি ছিল না, কিন্তু তাও ঈশ্বরের টানকে উপেক্ষা করে, কার সাধ্যি! খুব অল্প বয়সেই চলে গেল মিমি চক্রবর্তীর চারপেয়ে পোষ্য চিকু।

কয়েক মাস ধরেই মরণব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছিল চিকু। তাকে চেন্নাইতে চিকিৎসার জন্য নিয়ে গেছিলেন অভিনেত্রী সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। এমনকি গত কয়েক সপ্তাহ আগে চিকুর গালে চুমু খেয়ে আদর করে, মিমি চক্রবর্তী সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে সোশ্যাল সাইটে লিখেছিলেন, ‘ চিকু জানাচ্ছে, সবার আশীর্বাদে এবং প্রার্থনায় আমি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছি’। মিমির সেই পোস্টে ভালোবাসা জানিয়েছিল দর্শনা বণিক, রুবি রায়, অনিন্দ্য চাটার্জি, ঐন্দ্রিলা সেন, অঙ্কুশ হাজরা সহ অন্যান্য শুভাকাঙ্খীরা। আজ চিকুর অকালপ্রয়াণ এর খবর মিমি তাঁর সোশ্যাল সাইটে শেয়ার করতেই দুঃখে ভেঙে পড়েছেন পশুপ্রেমী মানুষেরা। কেউই মেনে নিতে পারছে না দুরন্ত চনমনে চিকুর প্রয়াণ। চিকুর প্রয়াণের খবর শেয়ার করে মিমি চক্রবর্তী লেখেন, ‘ তুমি নিজের সঙ্গে আমার জীবনের একটা বড় অধ্যায়কে সঙ্গে নিয়ে চলে গেলে। সমস্ত ব্যথা-যন্ত্রণা থেকে দূরে গিয়ে তুমি শান্তিতে বিশ্রাম নাও। তোমার মা তোমাকে ভালোবাসে।’

চিকুর প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন মিমি চক্রবর্তীর বন্ধু এবং সহকর্মীরা। অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী এই খবর পেয়ে কমেন্ট করেন, ‘আমি খুবই দুঃখিত, আমার ভালোবাসা আর প্রার্থনা থাকলো চিকুর জন্য। মিমি চক্রবর্তী আমার সমবেদনা থাকল।’ অভিনেত্রী দর্শনা বণিক কমেন্ট করে লিখলেন, ‘খুবই দুঃখিত এই খবর শোনার পর থেকে। ভালোবাসা এবং শক্তি থাকুক তোমার সাথে মিমি’। অভিনেত্রী রুবি রায় লিখলেন ‘হৃদয় ভাঙ্গা খবর এটা। সত্যি অত্যন্ত দুঃখের দুঃখের’। বনি সেনগুপ্ত লিখলেন, ‘হায় ঈশ্বর, এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না। তুমি নিজেকে শক্ত রাখো।চিকুর আত্মার শান্তি কামনা করি।’ অভিনেত্রী শৌরসেনী মিত্র লিখলেন,’ তোমার আত্মার শান্তি কামনা করি । তুমি যেখানেই থাকো ভালো থাকো।’

বাড়িতে মিমির বেশিরভাগ সময়টাই কাটতো মিমি এবং ম্যাক্স এর সঙ্গে। নিজের প্রাণের চিকুকে হারিয়ে খুবই ভেঙে পড়েছেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। আমাদের পক্ষ থেকেও মিমি চক্রবর্তীর জন্য থাকলেও সমবেদনা। চিকু তুমি যেখানেই থেকো ভালো থেকো।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.