কলকাতা: চিকিৎসকদের বিক্ষোভে উত্তাল গোটা রাজ্য। পাঁচদিন ধরে বিক্ষোভে জুনিয়র ডাক্তাররা। মেডিক্যাল কলেজগুলিতে ইস্তফা দিচ্ছেন ডাক্তাররা। এই ইস্যুতে একে একে মুক খুলেছেন অনেকেই। এবার চিকিৎসকদের নিয়ে ট্যুইট করে সদ্য সাংসদ হওয়া মিমি চক্রবর্তী।

শনিবার এনআরএস-কাণ্ডের কথা উল্লেখ না করেই চিকিৎসা প্রসঙ্গ টেনে ট্যুইট করেন মিমি। তিনি তাঁর সাম্প্রতিক একটি অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে চিকিৎসকের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

তিনি লিখেছেন, জ্বর ও পেটের ইনফেকশনে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। তাঁর ট্রিপ ক্যানসেল করার মত পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল। ফ্লাইটে অনেক দূরের সফর করার আছে। তাই যাওয়ার আশাই ছেড়ে দিয়েছিলেন একরকম। কিন্তু, ডাক্তার এসে তাঁকে ওষুধ দিয়ে সারিয়ে তোলেন। তাই তাঁকে আপাতত ট্রিপ ক্যানসেল করতে হচ্ছে না।

তিনি আরও লিখেছেন যে, এভাবেই সমাজে একে অপরের উপর নির্ভরশীল। সব শেষে লিখেছেন, ‘দ্রুত যেন আলো দেখা যায়।’

শুক্রবার এই ইস্যুতে মুখ খোলেন দেব। তিনি লেখেন, তিনি বলেন, ”যাঁরা আমাদের প্রাণ বাঁচান তাঁরা কেন বারবার মার খাবেন?” তিনি আরও বলেন, তাঁদের সুরক্ষার দায়িত্ব আমাদের।” আবার একইসঙ্গে বলেছেন, ”লক্ষ লক্ষ অসুস্থ মানুষ ডাক্তারবাবুদের দিকে তাকিয়ে, আপনারা পাশে না দাঁড়ালে তারা অসহায়। সবার শুভবুদ্ধি ফিরে আসুক, সমস্যার সমাধান চাই।”

এই পরিস্থিতিতে ময়দানে নেমেছেন তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা। সকালেই ফেসবুক পোস্ট করেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এরপরই পোস্ট করেন ফিরহাদ হাকিম।

শুক্রবার সকালে এনআরএসে যান অভিনেত্রী অপর্না সেন সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব। চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়িয়ে এদিন মমতাকে সরাসরি নিশানা করেন অপর্ণা সেন। প্রশাসনের উপর তাঁরা চাপ সৃষ্টি করবেন বলেও চিকিৎসকদের আশ্বাস দেন তিনি।

বলেন, ‘আমি বিনীতভাবে বলছি, যতখানি দায় ডাক্তারদের রয়েছে, ততখানি দায় প্রশাসনেরও রয়েছে।’ বলেন, ‘আপনি সকলের মুখ্যমন্ত্রী। আপনি আমাদের অভিভাবক। আপনি আসুন। কথা বলুন।’

মিমির ট্যুইট