আত্মনির্ভরতার ঝড়ে
পকেটের পয়সা গেলো উড়ে’

এমন কথাই বলছে নেট নাগরিকদের একাংশ। যে হারে, পেট্রোপণ্য এবং জ্বালানির দাম দিনকে দিন বাড়ছে, তাতে জনগণ যে দলকে সমর্থন করুক না কেন, নাভিশ্বাস উঠছে পকেটের অন্তস্থল থেকে। পেট্রল ডিজেলের দাম যেভাবে বাড়ছে, তাতে এখন সোশ্যাল সাইটে নতুন মিম বেরিয়েছে, এবার কি বাড়িতে হোম মেড পেট্রল বানাতে হবে বলে।

চার দফায় ২২৫ টাকা বেড়ে কলকাতায় এখন ভর্তুকিহীন সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে ৮৪৫.৫০ টাকা দিয়ে। সোমবার থেকেই রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের এই বর্ধিত দাম কার্যকর করা হয়েছে। যা দেখে এবং শুনে চক্ষু চড়কগাছ হয়েছে অভিনেত্রী এবং সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বলা আত্মনির্ভরতা শব্দটিকে উল্লেখ করেই মিমি কার্যত ক্ষোভ উগরে দিলেন এই বর্ধিত দামের আচ্ছে দিনের ওপরে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভাষণ থেকে জনপ্রিয় পাওয়া আত্মনির্ভর’ শব্দটি এখন অক্সফোর্ডের বর্ষসেরা হিন্দি শব্দের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর তো নির্ভরতার বাণীকেই কটাক্ষ করেছেন মিমি। আজ সকালে মিমির,বাড়ির দুয়ারে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার দিতে আসেন রান্নার গ্যাস সরবরাহকারীরা। বিল মেটাতে গিয়ে দাম প্রায় হতভম্ভ হয়ে যান মিমি। প্রায় মূর্ছা যাবার অবস্থা হয় তাঁর। তার পরেই তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদ্দেশ্যে তোপ দাগেন টুইট বাগিয়ে। সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে টুইট করেন ইংরেজি হরফে,কিন্তু ইংরেজি আর হিন্দি মেশানো ভাষায় লেখেন,‘সকালে বাড়িতে রান্নার গ্যাস দিতে এসেছিল। দাম শুনেই আমার মূর্ছা যাওয়া দশা’! এরপর হিন্দিতে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন মিমি। লেখেন, ‘কেয়া হুয়া তেরা ওয়াদা? আত্মনির্ভর ক্যা এইসা বনেঙ্গে ইন্ডিয়া খুন বেচকে আপনা’।
‘Today morning LPG came to my door nd i collapsed Pouting facePouting face.
Kya hua tera vada ??? Aatmanirbhar kya aaisa benaga india khoon bechke apnaPouting face’

অভিনয়ের সাথে সাথে তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবন নিয়েও যথেষ্ট সিরিয়াস। সেদিকটাও তিনি পালন করে থাকেন যথেষ্ট নিষ্ঠা এবং সিরিয়াসনেসের সঙ্গে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।