সৌপ্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়: চড়া রোদ। ঘর্মাক্ত অবস্থায় ভোট দেখাতে গিয়ে অনেকেই নাজেহাল হচ্ছেন। ইভিএম মেশিনে সমস্যা বাদ দিয়ে এখনও পর্যন্ত বিশেষ কোনও বড় গণ্ডগোলের খবর নেই।

তবে সব কিছুর মধ্যেও প্রার্থীরা নিজেদের কেন্দ্রে ঘুরছেন। কম বেশি সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরার সামনে আসতে দেখা যাচ্ছে তাদের। বিধানসভা উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী মদন মিত্রকেও ভোটের দিনে যথেষ্ট সক্রিয় দেখা গিয়েছে কিন্তু কোথায় গেলেন মিমি?

যাদবপুরের তৃণমূল প্রার্থীকে সকাল থেকে একবারও দেখা যায়নি কোনও ভোট কেন্দ্রে। উত্তরবঙ্গের মেয়েকে শিলিগুড়িতে ভোট দিতে যেতে দেখা গিয়েছিল কিন্ত নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র যাদবপুরে ভোটের গরম বাজারে তাকে একবারও দেখা গেল না। তিনি যাকে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে ‘বোনু’ বলে ডাকেন সেই নুসরত জাহান , তাঁকেও দেখা গিয়েছে বিভিন্ন নির্বাচনী কেন্দ্রে ঘুরে বেড়াতে। মিমির দেখা নেই।

আরও পড়ুন- বুথের বাইরে বচসায় জড়ালেন নুসরত জাহান

তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হওয়ার পর থেকে সব থেকে বেশি সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের স্বীকার হয়েছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি এ নিয়ে নিজের বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তারপরেও অবস্থার কোনও পরিবর্তন হয়নি , কোনও না কোনওভাবে তাঁকে নিয়ে মিম করা হয়েছে। যে প্রার্থী ভোটের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিভিন্নভাবে প্রচারের কেন্দ্রে থাকলেন সেই তিনিই কি না আজ ভোটের গরম বাজারে পুরোপুরি বেপাত্তা।

প্রশ্ন উঠছে হল টা কি মিমির ? অনেকে মস্করা করে বলছেন প্রচণ্ড গরম। এমন অবস্থায় বেরোতে হলে তাঁকে সারা গায়ে চাদর, ওড়না, গ্লাভস সবরকম জড়িয়ে বেরোতে হবে। ত্বক ভালো রাখতেই তিনি আর বেরোননি।

কানাঘুষো এও চলছে যে মিমির মেন্টর অরূপ রায় হয়তো তাঁকে বলে দিয়েছেন তাঁকে বুথে বুথে না ঘুরলেও চলবে। ভোটে কি হবে না হবে সে তাঁরা বুঝে নেবেন। নেটিজেন আবার আরও একটু বেড়ে খেলছে । বলছে মুনমুন সেনের মতো হয়তো তিনি বেড টি পাননি তাই ঘুম থেকে উঠতে দেরী হয়ে গিয়েছে মিমির তাই তাঁর দেখা নেই।

প্রসঙ্গত মিমি যে কেন্দ্র থেকে লড়ছেন সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। সেই কেন্দ্রে তাঁর বিরুদ্ধে যারা লড়ছেন তাঁরা যথেষ্ট হেভিওয়েট। বাম প্রার্থী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য, বিজেপি প্রার্থী অনুপম হাজরা। এদিন তাঁর গাড়িতে হামলার খবর সামনে এসেছে। রাজনীতিবিদরা বলছেন কার্যত ত্রিমুখী লড়াই এই কেন্দ্রে। এমন হেভিওয়েটদের বিরুদ্ধে লড়তে হচ্ছে তাঁকে কিন্তু মিমি যেন ‘COOL’।