নয়াদিল্লি: শাসক-বিরোধী তরজা ভূলে এক হয়েছেন মহিলা সাংসদরা। সমাজবাদী পার্টির সাংসদ আজম খানের আপত্তিকর মন্তব্যে উঠেছে ঝড়। সবার দাবির মূলকথা হয় ক্ষমা চাইতে হবে নয় বহিষ্কার করতে হবে। শুক্রবার স্মৃতি ইরানি, নিড়মলা সীতারমন থেকে কানিমোঝি প্রত্যেকেই মুখর হয়েছেন কঠোর সমালোচনায়। যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ, অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীও এবিষয়ে তাঁর চাচাছোলা বক্তব্য জানালেন স্পিকার ওম বিড়লাকে।

সর্বকনিষ্ঠ এই সাংসদ জানিয়েছেন, “মহিলাদের অবমাননার বিরুদ্ধে সবাইকে এক হয়ে দাড়াতে হবে।” রমা দেবীর সাথে হওয়া ঘটনা আপত্তিকর ও নিন্দনীয়। মহিলাদের সম্ভ্রম রক্ষায় সকলকে এক হতে হবে।

আজম খানের মন্তব্যে সংসদ হয়ে উঠেছিল উত্তাল। তারকা সাংসদ মিমি চক্রবর্তীর পাশাপাশী তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়ে সরব হয়েছেন। বৃহস্পতিবার লোকসভায় ঠিক কী বলেছিলেন সমাজবাদী পার্টির সাংসদ আজম খান? স্পিকারের চেয়ারে রমা দেবী। তিন তালাক বিল নিয়ে আলোচনার সময় রমা দেবীর উদ্দেশে আজম খান যা বলেছিলেন, ‘‘আপনাকে আমার খুব ভাল লাগে। মনে হয় সব সময় আপনার চোখে চোখ রেখে কথা বলি।’’

আজম খানের মন্তব্য নিয়ে স্পিকারের উদ্দেশে এই তৃণমূল সাংসদ বলেন, “সংসদে দাঁড়িয়ে কোন মহিলাকে আমার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বলুন, এই কথা কাউকে বলা যায় না। স্পিকার স্যার এখানে উপস্থিত সব মহিলারা এই বিষয়ে আপনার থেকে বড় কোন সিদ্ধান্ত আশা করছে।

যাঁর উদ্দেশে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন আজম খান, সেই বিজেপি সাংসদ রমা দেবীর মত, ‘ওনার লোকসভায় থাকার কোনও অধিকার নেই।’ আজম খানের বিরুদ্ধে সরব সকল বিরোধীরা। কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা অধীর চৌধুরী থেকে তৃণমূলের নুসরত জাহান আজম খানের বক্তব্যের নিন্দা করেছেন। স্পিকার আশ্বাস দিয়েছেন সিদ্ধান্ত, ক্ষমা চাইতেই হবে আজম খানকে। না হলে পড়তে হবে কড়া শাস্তির মুখে।