স্টাফ রিপোর্টার, মালদহ : ‘ত্রিপুরার তৃণমূল বিধায়করা বিজেপির কলে বসেছেন। দেশের কোনও জায়গার মিমের জনপ্রতিনিধিরা কেউ বিজেপিতে যোগ দেয়নি। কংগ্রেস সিপিএমের জনপ্রতিনিধিরা বিজেপিতে গিয়েছে। এই রাজ্যে একের পর এক উদাহরণ রয়েছে।’

গত কয়েকদিন আগে মালদহের রতুয়ার সামসীতে মিমের প্রথম জনসভায় ঠিক এ-ভাষাতেই হুংকার ছাড়লেন মিম নেতা মাজিদ হসেন। এদিনের জনসভায় প্রচুর লোক জমায়েত হয়। যদিও এই সভাকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি ও তৃণমূল।

তিনি বলেন, “সংখ্যালঘু মানুষদের কথা কেবল তৃণমূল বলেছে। তাদের ভোট ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করেছে তাদের ভোট নিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তাঁদের পিছনে পিঠে ছড়া মেরেছে তৃণমূল।”

মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাজিদ হোসেন আরও বলেন, “আমাদের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। আমরা নাচ গান করার দল না। সরকারি কর্মী যারা রয়েছেন সরকারি আধিকারিক যারা আছেন তাঁরা নিজেদের দায়িত্ব কর্তব্য পালন করুন। এই রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস কেবল সংখ্যালঘুদের ভোট নিয়েছে। কিন্তু সংখ্যালঘুদের জন্য তাঁরা কোনও কাজ করেনি। মিম পিছিয়ে পড়া সবার জন্য কাজ করবে। মালদহ সহ বিভিন্ন জায়গায় আমরা আমাদের সংগঠন বাড়িয়েছি।”

তিনি আরও দাবি করেন, “আসাউদ্দিন ওয়েসি ইতিমধ্যেই পশ্চিমবাংলায় ঢুকে গিয়েছে তিনি স্বশরীরে একবার বাংলায় আসলে তা হাড়ে হাড়ে টের পাবে শাসকদল। ইতিমধ্যে মালদহের বেশ কয়েকটি বিধানসভার মানুষের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাঁরা এবার ভোটে সেখানে লড়াই করবেন। তৃণমূল থেকে ভোটে দাড়িয়ে জিতে এসে অন্যদলে যোগ দেবে না তার দ্বায়িত্ব কে নেবে? যদি ক্ষমতা থাকে তাহলে আমাদের মোকাবিলা করুন।”

যদিও মিমের এইসব বক্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।

তৃণমূলের মালদহ জেলার কো-অর্ডিনেটর দুলাল সরকার বলেন, “বিজেপির প্রশ্রয়ে দেশে এই দলটা বেড়েছে। গোবলয়ে ও দক্ষিণ ভারতে সংখ্যালঘু ভোটব্যাংকে ভাগ করে বিজেপিকে জিততে সাহায্য করে। বিজেপির টাকায় বিহারে ভোট করেছে। বাংলার মুসলিম সমাজ অত বোকা নয়। তারা এদের খপ্পরে পড়বে না। বাংলা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আছে ও থাকবে।”

পাল্টা বিজেপির মালদহ জেলার সহ-সভাপতি অজয় গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “বরাবর তৃণমূল কংগ্রেস মুসলিম সম্প্রদায়কে সংখ্যালঘু ভোট ব্যাংক হিসেবে দেখেছে। এখন আরেকটা ধর্মীয় উন্মাদনা দল আশায় তাঁরা আতঙ্কিত। আমরা বলেছি সবকা সাথ সবকা বিকাশ। সুতরাং কে এলো না গেলো তাতে আমাদের কোনও যায় আসে না। বিজেপি ক্ষমতায় আসছে কেবল সময়ের অপেক্ষা।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।