মুম্বই: ট্রেনে, বাসে নিত্যদিন ভিক্ষা করাটাই ছিল জীবিকা৷ ৬২ বছরের ভিরবিচাঁদ আজাদ শুক্রবার রাতে মারা যাওয়ার পর কার্যত হিমশিম খেল পুলিশ৷ না তদন্ত নিয়ে নয়৷ ভিরবিচাঁদের রেখে যাওয়া দেড় লক্ষ টাকারও বেশি খুচরো গুণতে নাকের জলে চোখের জলে হতে হল পুলিশকে৷

শুক্রবার রাতে মহারাষ্ট্রের গোভান্দি স্টেশনের কাছে ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা যান ভিখারি ভিরবিচাঁদ৷ অবশ্য মৃত্যুর পরে তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ দেখে, আর তাঁকে ভিখারি বলা যাবে কীনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে৷ পাক্কা ৮ঘণ্টা ধরে ভিরবিচাঁদের রেখে যাওয়া সম্পত্তি গুণল পুলিশ৷

আরও পড়ুন: সাফল্য মানে কী, জিজ্ঞাসা করতেই রণবীরকে জোর বকুনি অনুষ্কার

ভিখারিচাঁদের মৃত্যুর পর ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জিআরপি৷ তাঁরাই সেখান থেকে ১.৭৭ লক্ষ টাকার খুচরো উদ্ধার করে৷ ওনার ছেঁড়াখোড়া ব্যাগ আর ঝুলি থেকে এই বিপুল পরিমাণ খুচরো উদ্ধার হয়৷

এরপরে খুচরো গুণতে বসে পুলিশ৷ সম্পত্তি দেখে চক্ষু চড়কগাছ পুলিশের৷ দেখা গেল শুধু খুচরো নয়, বিভিন্ন ব্যাংকে তাঁর আমানত রয়েছে ৮.৭৭ লক্ষ টাকার৷ মিলেছে আজাদের প্যান কার্ড, আধার কার্ড ও প্রবীণ নাগরিকের কার্ড৷ যেখানে তাঁকে রাজস্থানের বাসিন্দা বলে উল্লেখ করা রয়েছে৷

আরও পড়ুন : কমছে ২০০০-এর নোট, আশঙ্কা নোট বাতিলের

মুম্বই পুলিশ চাইছে রাজস্থানে তার বাড়ির ঠিকানায় যোগাযোগ করে তাঁর পরিবারের সাথে কথা বলতে৷ এত টাকার মালিক হয়েও কেন ভিক্ষা করতেন তিনি, তা নিয়ে বেশ ধন্দে রয়েছে পুলিশ৷

আজাদের দেহাবশেষ ও তাঁর সম্পত্তি তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে, এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুলিশ৷ অন্যান্য হকার ও ভিখারিরা জানিয়েছেন আজাদ দীর্ঘদিন ধরে ভিক্ষাবৃত্তি করছে৷ মুম্বইয়ের বহুদিনের বাসিন্দা ছিল সে৷