নয়াদিল্লি : আগামী সপ্তাহে ফের অষ্টম দফার সামরিক বৈঠকে বসতে চলেছে চিন ও ভারত। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও বৈঠক থেকেই কোনও সমাধানসূত্র বেরিয়ে আসেনি। এরই মধ্যে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং ও বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা ও বিদেশ সচিবরা।

দুই দেশের বৈঠকে উঠে এসেছে সীমান্ত পারের উত্তাপের প্রসঙ্গ। ভারতকে পাশে রেখে চিনের উদ্দ্যেশে কড়া বার্তা দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন বিদেশ সচিব বলেন বিশ্বের যে কোনও দেশের কাছ থেকে কোনও চ্যালেঞ্জের মুখে ভারত পড়লে পাশে থাকবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। সীমান্তে কোনও আপোষ করা হবে না ও কোনও বহিরাগত শক্তির কাছে ভারত মাথা নত করবে না বলেও এদিন আশাপ্রকাশ করেছেন মাইক পম্পেও।

পম্পেও জানান, ভারত ও আমেরিকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতেই তাঁদের এই সফর। বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে দুই দেশ একযোগে কাজ করবে বলে জানান তিনি। এর আগে, ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এসপারের বৈঠকে জানা যায়, সামরিক ক্ষেত্রে দুই দেশ পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে সম্পর্ক সুদৃঢ় করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।

কৌশল গত দিক থেকে এই মুহুর্তে আমেরিকার সমর্থন ভারতের প্রয়োজন, চিনকে মোকাবিলা করার জন্য। দুই দেশের এই বৈঠকে সেনা সহায়তা, অস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জামের আদান প্রদানের বিষয়ে কথা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। ফলে বেশ চাপে রয়েছে চিন।

তবে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে ভারত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চাপে যে ভারত চিনের সঙ্গে বৈঠকে বসছে না, তা জানিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। এদিন বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব জানিয়েছেন সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে চিনের সঙ্গে আলোচনা চলবে। কোনও তৃতীয় ব্যক্তি সেখানে হস্তক্ষেপ করবে না। সীমান্ত সমস্যা মেটানোর জন্য ভারত আলোচনা ও বৈঠকে বিশ্বাসী।

এদিকে, অষ্টম দফার বৈঠকে বসতে চলেছে ভারত ও চিন। আগামী সপ্তাহেই এই বৈঠক হবে বলে বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর। ভারতের তরফে বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করবেন কর্পস কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল পিজিকে মেনন। উপস্থিত থাকবেন ভারতের বিদেশমন্ত্রকের যুগ্ম সচিব নবীন শ্রীবাস্তব।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.