বেইরুট: সপ্তাহ খানেক আগে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে লেবানন। শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয় সেই বিস্ফোরণে। ভয়ঙ্কর সেই দৃশ্য দেখে চমকে ওঠে গোটা বিশ্ব। ইতিমধ্যেই বিক্ষোভের মুখে সেদেশের সরকার কার্যত পতনের মুখে। পদত্যাগ করেছেন প্রেসিডেন্ট।

প্রাথমিকভাবে জানা যায় মজুত করা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটে আগুন লেগেই হয় এই বসি্ফোরণ। কিন্তু অন্য তথ্য সামনে আনছেন বিশেষজ্ঞরা। বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞদের দাবি, রাসায়নিক নয়, মিসাইল মজুত ছিল। আর তাতেই আগুন লাগে।

ড্যানিলো কোপ নামে নামে এক বিশেষজ্ঞের ধারণা ওখানে ছিল মিসাইল। আর তা থেকেই এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ। যাতে ১৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত অন্তত ৬০০০ মানুষ। ৩ লক্ষ ঘর-বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত।

ওই বিশেষজ্ঞ জানান, আগুনের রঙ ছিল কমলা। সাধারণত অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বিস্ফোরণ হলে তার থেকে হলুদ ধোঁয়া বেরোয়। কিন্তু এদিনের বিস্ফোরণে কমলা রঙের মেঘ তৈরি হয়। তাই এটি মিসাইল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নিশ্চয় কোনও ক্যাটালিস্ট ছিল,নাহলে এভাবে বিস্ফোরণ হওয়ার কথা নয়। আগুনের রঙ দেখে তাঁর দাবি, লিথিয়াম থাকতে পারে। এই লিথিয়াম ব্যবহার করা হয় মিলিটারি মিসাইলে। তিনি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, সম্ভবত যেখানে বারুদ জমা ছিল সেখান থেকেই আগুনের সূত্রপাত।

গত মঙ্গলবার এই বিস্ফোরণের পর থেকে সরকারের গাফিলতি নিয়ে উত্তাল লেবানন। বিক্ষোভের ধাক্কায় অবশেষে সরকারের পতন হয়েছে।

জাতির উদ্দেশে ভাষণে সরকারের পদত্যাগ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী হাসান দিয়াব। এরপর তিনি প্রেসিডেন্টের কাছে গিয়ে পদত্যাগ পত্র জমা দেন। বেইরুট বন্দরে মঙ্গলবারের ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়েছে। আর সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরুর পর তাদের গৃহবন্দি করা ও জরুরি অবস্থা জারি পর বিক্ষোভের মুখে লেবাননের সরকার পড়ে গেল।

বিবিসি জানাচ্ছে, আগেই বিক্ষোভের মুখে বিচারমন্ত্রী, তথ্যমন্ত্রী এবং পরিবে মন্ত্রী পদত্যাগ করেন। সরকারের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ এনে এই বিস্ফোরণের জন্য সরকারকে দায়ী করেন তারা।তখনই সরকার পতনের সম্ভাবনা বাড়তে থাকে। আর জনগণ প্রবল বিক্ষোভে পার্লামেন্ট ঘেরাও করে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও