স্বাগত নতুন বছর৷ ইংরাজি নববর্ষে শুভেচ্ছা৷ বর্ষবরণে মিশে থাকে আগামীর পথ চলার ভাবনা৷ এই লক্ষ্যে Kolkata 24×7 নতুন করে ভাবছে৷ এতে মিশে আছে ভবিষ্যৎ দেখার ইচ্ছে৷ আমরা এগিয়ে চলেছি, তাই পিছন ফিরে দেখা নয় আগামীকেই স্বাগত জানাচ্ছি৷ ২০১৮ সালের সম্ভাব্য কিছু ঘটনা তুলে ধরছি৷ বাংলা সংবাদমাধ্যমে এ এক ব্যতিক্রমী প্রচেষ্টা৷ দেশ থেকে বিদেশ, খেলা থেকে মেলা সমস্ত বিষয়ের সব খবর এক ক্লিকে৷ এই প্রতিবেদনে বিশ্ব সন্ত্রাসের দশদিক…

১. বিশ্বকাপে হামলার হুমকি


আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে ভয়াবহ হামলার হুমকি দিয়েছে ইসলামিক স্টেট৷ রাশিয়ায় হতে চলা এই ক্রীড়া অনুষ্ঠান বানচাল করতে মেসি-রোনাল্ডোর মতো কিংবদন্তিদের রক্তাক্ত ছবি দিয়েছে আইএস৷ ইরাক ও সিরিয়ায় ক্রমাগত মার খেয়ে নতুন করে নিজেদের শক্তি দেখাতেই মরিয়া জঙ্গি সংগঠনটি৷ সর্বশক্তি নিয়ে সন্ত্রাসবাদকে রুখতে প্রস্তুত রাশিয়া৷

২. আইএস-তালিবান সংঘর্ষ

দুই জঙ্গি সংগঠন আইএস বনাম আফগান তালিবানের পারস্পরিক সংঘর্ষের কেন্দ্র হতে চলেছে আফগানিস্তান৷ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার দাবি, এই দেশে ক্রমশ জাঁকিয়ে বসবে ইসলামিক স্টেট৷ সেখান থেকেই তারা দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আরও ছড়িয়ে দেবে নাশকতার বীজ৷

৩. পাকিস্তানে নাশকতায় মৃত্যু মিছিল

আফগানিস্তানের মতোই নাশকতায় রক্তাক্ত হওয়া পাকিস্তানের ভবিতব্য৷ দেশটিতে আইএস সহ একাধিক জঙ্গি সংগঠন অতি সক্রিয়৷ তাদের তৈরি নাশকতায় রক্তাক্ত হতে চলেছে পাকিস্তান৷ আমেরিকা জানিয়ে দিয়েছে, সন্ত্রাসবাদকে রুখতে পাক সরকারের ভূমিকা সন্তোষজনক নয়৷ ফলে দেশটির অবস্থান নিয়েও উঠছে প্রশ্ন৷

৪. ইউরোপে বাড়বে গাড়ি হামলা

প্রকাশ্যে জঙ্গি হামলায় আরও রক্তাক্ত হতে পারে ইউরোপ৷ বিশেষ করে ইংল্যান্ডের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগে সন্ত্রাসবাদ সংক্রান্ত গবেষকরা৷ তাঁরা বলছেন, ইংল্যান্ডেই সবথেকে বেশি আইএস প্রভাবিত বসবাস করছে৷ এই তত্ত্বে চিন্তিত ব্রিটিশ সরকার৷ ফ্রান্স, বেলজিয়াম, জার্মানি সহ ইউরোপের অন্যান্য দেশগুলিতেও জঙ্গি হামলার সম্ভাবনা প্রবল৷

৫. আতঙ্কিত আফ্রিকা

ইরাক ও সিরিয়ায় আইএস তার রাজত্ব হারালেও শক্তি হারায়নি৷ এটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ তাঁদের ধারনা, আইএস জঙ্গি আদর্শে বিশ্বাসীদের যারা আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে সোমালিয়া ও নাইজেরিয়ার কিছু অংশে প্রবল নাশকতা ঘটাতে পারে৷ আবারও রক্তাক্ত হতে পারে নীল নদের দেশ মিশর৷

৬. ‘লোন উলফ’ কবলে আমেরিকা


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা রয়েছে৷ এই লক্ষ্যে নীল নকশা তৈরি করেছে জঙ্গি সংগঠনগুলি৷ সাংগঠনিক উপায়ে না হলেও ধর্মীয় কট্টরপন্থীরা নিজেরাই হামলা চালাতে পারে৷ গত বছরের মতো সেরকমই সম্ভাবনা থাকছে প্রবল৷ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থান দেশে নাশকতার সম্ভাবনা আরও উস্কে দিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে৷

৭. জঙ্গি লক্ষ্যে ভারত-বাংলাদেশ


দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম দেশ ভারতের মাটিতে জঙ্গি জাল বিছিয়ে দিচ্ছে বিভিন্ন সংগঠন৷ এই কাজ তারা করছে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের জমি থেকে৷ বিশেষজ্ঞদের অনেকই মনে করছেন, নাশকতায় রক্তাক্ত হতে পারে ভারত ও বাংলাদেশ৷ ধর্মীয় কট্টরপন্থী সংগঠনগুলির বাড়বাড়ন্ত এই সম্ভাবনা আরও উস্কে দিয়েছে৷

৮. আইএস ঘাঁটি ফিলিপাইন্স ?
দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় ফিলিপাইন্সে সব থেকে শক্তিশালী সংগঠন গড়ে তুলেছে ইসলামিক স্টেট৷ দেশটির মারাউই অঞ্চলে স্থানীয় জঙ্গি সংগঠন আবু সয়াফের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তৈরি হয়েছে বিশাল ঘাঁটি৷ সেই ঘাঁটি ধংস করতে চলছে অভিযান৷ মারাউই-কে জঙ্গি মুক্ত করতে চেষ্টা চালালেও এখনও সফল নয় ফিলিপিনো সরকার৷

৯. নজরে নেপাল সীমান্ত

প্রতিবেশী রাষ্ট্র নেপালের সঙ্গে থাকা ভারতের সীমান্ত অঞ্চল নিয়ে চিন্তিত গোয়েন্দা দফতর৷ নেপাল লাগোয়া কিছু এলাকায় সক্রিয় কয়েকটি সংগঠন৷ তীব্র ভারত বিরোধী জিগির তুলে এই সব এলাকা থেকে জঙ্গি অনুপ্রবেশ করাতে তৎপর পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই৷

১০. আরব দুনিয়ার অবস্থান


সংস্কারমূলক পদক্ষেপ নিয়ে কী ভূমিকা নিতে চলেছে সৌদি আরব৷ এই অবস্থানের কড়া সমালোচনায় গোঁড়াপন্থীরা৷ ফলে আরবের মাটিতেই সরকার বিরোধী নাশকতার আশঙ্কা থাকছে৷ সেই রেশ ছড়িয়ে পড়তে পারে অন্যান্য আরব দেশগুলিতে৷ ধর্মীয় গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরে আরব-ইরান গরম সম্পর্ক সন্ত্রাসবাদকে মাথা চাড়া দিতে মদত দিতে পারে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।