কলকাতাঃ  সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনের আগে কার্যত প্রবল চাপে শাসকদল তৃণমূল। একের পর এক তৃণমূল বিধায়কের বিদ্রোহের খবর। কেউ কেউ আবার প্রশান্ত কিশোরের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করে দিয়েছেন। যা নিয়ে ক্রমশ অস্বস্তিতে বাড়ছেই।

এই অবস্থায় শাসকের অস্বস্তি বাড়ালেন তৃণমূল বিধায়ক। দলবদলের জল্পনাকে আরও উস্কে দিয়ে শুক্রবার সকালে কোচবিহারের বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে দিল্লি গেলেন কোচবিহারের দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক মিহির গোস্বামী। সূত্রের খবর, শীঘ্রই মিহির গোস্বামী বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন।

জানা যাচ্ছে, এদিন বিজেপি সদর দফতরে যেতে পারেন। সেখানে প্রথমে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। এরপরেই হয়তো আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ বলে জানা যাচ্ছে।

এর আগে একাধিকবার বিজেপি সাংসদ নিশীথ প্রামাণিকের সঙ্গে বৈঠক হয় মিহির গোস্বামীর। যদিও এরপর রাগ ভাঙানোর চেষ্টা করা হয় তৃণমূলের তরফে।

ফাইল ছবি

রাতারাতি মিহির গোস্বামীর বাড়িতে ছুটে যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ। যদিও বরফ গলাতে পারেনি। এরপর বৃহস্পতিবারই তৃণমূল ছাড়ার কথা বলেন মিহির গোস্বামী। ফেসবুকে বিস্ফোরক পোস্ট লেখেন তিনি।

ফেসবুকে তিনি লেখেন, গত ৩ অক্টোবর ২০২০ তারিখে তৃণমূল কংগ্রেসের যাবতীয় সাংগঠনিক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে এও জানিয়েছিলাম, দলনেত্রীর নির্দেশ পেলে আমি বিধায়ক পদ থেকেও ইস্তফা দিতে পারি। তারপর প্রায় দুমাস হতে চলল আমি যেমন নিজের বিবেকের সঙ্গে ও নিজের যুক্তিবোধের সঙ্গে চিন্তন-মন্থন করেছি তেমনই আমার ভাবনাকে মানুষের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিত শেয়ার করেছি।

যে সব মানুষ আমার ভাবনাকে যুক্তিযুক্ত ভেবে স্বাগত জানিয়েছে তাঁদের উদ্দেশ্যেই আবার বলি, গত দশ বছর যে তৃণমূল দলের একনিষ্ঠ কর্মী হিসেবে দলের মধ্যে বারবার অবহেলিত ও অপমানিত হয়েছি, দলের রাজ্য নেতৃত্ব তাতে নীরব ও প্রচ্ছন্ন মদত যুগিয়ে গিয়েছেন, দলনেত্রীকে সেসব কথা বারংবার জানিয়েও পরিস্থিতির ইতরবিশেষ হয়নি।

আজ সব সহ্যের সীমা অতিক্রম করার সময় অনুভব করেছি, বাইশ বছর আগে যে দলটির সঙ্গে যোগ দিয়েছিলাম, আজকের তৃণমূল সেই দল নয়। এই দলে আমার জায়গা নেই। তাই আজ এই তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আমার যাবতীয় সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাই।

আমি আশা করছি, আমার দীর্ঘদিনের সাথী বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীরা আমাকে মার্জ্জনা করবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।