চন্ডীগড়: বাসে জায়গা রয়েছে। ফাঁকা পড়ে রয়েছে আসন। তবু সহজে টিকিট পাচ্ছেন না পরিযায়ী শ্রমিকরা। ইন্ডিয়া টুডের সমীক্ষা এমনই তথ্য তুলে ধরছে। এই সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে পঞ্জাব, চণ্ডীগড়, হরিয়ানাতে বাসের টিকিট পেতে গিয়ে রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের।

একদিকে, রেল লাইন, জাতীয় ও রাজ্য সড়ক ধরে মাইলের পর মাইল হেঁটে আসা শ্রমিকরা একের পর এক দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন, অন্যদিকে কেন্দ্রের অনুমোদিত বাস পরিষেবাও সঠিক ভাবে পরিযায়ী শ্রমিকরা পাচ্ছেন না বলে ভুরি ভুরি অভিযোগ উঠছে।

ইন্ডিয়া টুডে সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, পঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়ে বাসের টিকিট পেতে গিয়ে পুলিশকে ঘুষ দিতে বাধ্য হচ্ছেন শ্রমিকরা। তবে হাতে মিলছে টিকিট। এই পরিস্থিতি এড়াতে চার শ্রমিক বাস পরিষেবায় ভরসা না রেখে বিহারের মাধেপুরা পর্যন্ত সাইকেল চালিয়ে যাওয়াই মনস্থ করেছেন। এই শ্রমিকদের অভিযোগ বাসের টিকিট কাটতে গিয়ে দুর্নীতির শিকার হতে হয়েছে তাঁদের। মোটা টাকা ঘুষের দাবি করেছেন সেখানকার পুলিশ কর্মীরা। তাঁদের আরও অভিযোগ চণ্ডীগড়ে সেক্টর ৪৩-তে নিযুক্ত কর্মীরা এই ঘুষের দাবি করেছেন।

ওই চার শ্রমিক জানাচ্ছেন অনেক কষ্টে সেক্টর ৪৩-র বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত পৌঁছে ছিলেন তাঁরা। কিন্তু বাস পরিষেবা পাননি। কারণ তাঁরা ঘুষ দিতে পারেননি। পুলিশকর্মীরা নাকি জানিয়ে ছিলেন, বাসে কোনও জায়গা নেই। তবে অতিরিক্ত টাকা দিলে যাওয়ার ব্যবস্থা হতে পারে।

ওই শ্রমিকরা জানাচ্ছেন, খাবার নেই, জল নেই। এই পরিস্থিতিতে বাসের অতিরিক্ত ভাড়া কোথা থেকে পাবেন তাঁরা। এই পরিস্থিতির কথা সারা জীবন মনে রাখবেন বলে দুঃখপ্রকাশ করেন শ্রমিকরা।

তবে ঘুষ নেওয়ার কথা পুরোপুরি অস্বীকার করেছে চণ্ডীগড় পুলিশ। এই ধরণের কোনও অভিযোগ তাঁদের কাছে জমা পড়েনি বলে জানিয়েছেন তাঁরা। চণ্ডীগড় পুলিশের এসিপি নেহা যাদব জানান, তিনি গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখেছেন। এরকম কোনও অভিযোগ জমা পড়েনি, বা এরকম কোনও ঘটনা ঘটেওনি। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি এসিপির।

ইন্ডিয়া টুডেকে এই পুলিশ আধিকারিক জানান মহিলা, শিশু ও বয়স্কদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বাসের আসন সংখ্যা কম থাকতে পারে। কিন্তু টাকা নেওয়ার অভিযোগ ভুল।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা