লখনউ: ফের শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন থেকে উদ্ধার পরিযায়ী শ্রমিকের দেহ। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে এবার উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসি স্টেশনে ট্রেনের শৌচাগার থেকে উদ্ধার পরিযায়ী শ্রমিকের মরদেহ। সাফাইকর্মীরা ট্রেনে কাজ করতে গিয়ে শৌচালয়ে শ্রমিকের মরদেহ দেখতে পান। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। মৃত পরিযায়ী শ্রমিক উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা।

ঝাঁসি স্টেশনে ট্রেন জীবাণুমুক্তকরণের কাজে উঠেছিলেন সাফাইকর্মীরা। তাঁরাই ট্রেনের শৌচালয়ে এক পরিযায়ী শ্রমিককে পড়ে থাকতে দেখেন। তড়িঘড়ি স্টেশন মাস্টারকে ঘটনার কথা জানানো হয়। শ্রমিকের দেহ উদ্ধার করেন সাফাইকর্মীরাই। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত পরিযায়ী শ্রমিক মোহনলাল শর্মা মুম্বইতে দিনমজুরের কাজ করতেন।

একটানা লকডাউনের জেরে মৃত শ্রমিকও মুম্বইতে আটকে পড়েছিলেন। মুম্বইতেও রুজি-রোজগারের সংস্থান হারিয়ে ঘোর বিপাকে পড়েছিলেন ওই ব্যক্তি। অন্য পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গেই ঝাঁসিতে পৌঁছোন তিনি।

এদিকে, পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত শ্রমিক উত্তরপ্রদেশের বস্তি জেলার বাসিন্দা। বেশ কয়েকদিন আগেই তিনি মারা যান বলে অনুমান পুলিশের। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই তাঁর পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হবে। তবে ওই ব্যক্তি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন কিনা তা স্পষ্ট নয়। সেই কারণেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে সচেষ্ট প্রশাসন

মুম্বই থেকে রওনা দেওয়ার পর বুধবার ট্রেন ঝাঁসি এসে পৌঁছোয়। করোনার সংক্রমণ রোধে ঝাঁসি স্টেশনে ট্রেনটি জীবাণুমুক্ত করতে তৎপর হয় রেল। ট্রেনে ওঠেন বেশ কয়েকজন সাফাইকর্মী। ট্রেনের কামরা, শৌচালয় জীবাণুমুক্তকরণের কাজ চলে। এরই মধ্যে ট্রেনের একটি শৌচালয় থেকে উদ্ধার হয় মৃত ওই পরিযায়ী শ্রমিকের নিথর দেহ।

গত কয়েকদিনে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনে বেশ কয়েকজন পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। দিন কয়েকের ব্যবধানে ফের মৃত্যু। স্বাভাবিকভাবেই রেলের ভূমিকায় বড়সড় প্রশ্ন উঠেছে।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প