নয়াদিল্লি: করোনার জেরে আটকে পড়া শ্রমিকদের ফেরাতে আগেই ‘শ্রমিক স্পেশাল’ ট্রেনের কথা জানিয়েছিল কেন্দ্র। এবার সেই নিয়মে কিছুটা বদল করা হল। ‘শ্রমিক স্পেশ্যাল’ ট্রেনের ব্যাপারে মূলত দুটি নিয়ম বদলাল কেন্দ্র।

“শ্রমিক স্পেশাল” ট্রেনগুলিতে ১,২০০ জন যাত্রীর পরিবর্তে এখন থেকে ১,৭০০ জন যাত্রীকে বহন করবে ওই বিশেষ ট্রেনগুলো। এছাড়া বলা হয়েছে, গন্তব্যে পৌঁছনোর আগে মাঝের ৩ টি স্টেশনে থামবে এই ট্রেন। আগে মাত্র ১ টি স্টেশনে থামার কথা ছিল এই ট্রেনের। বর্তমানে একটি কোচে এখন যেখানে ৫৪ জন যাত্রী নিয়ে ট্রেন চালানো হচ্ছে।

রেলের এক কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে জানিয়েছে, “ভারতীয় রেলের প্রতিদিন ৩০০ টি ট্রেন চালানোর ক্ষমতা রয়েছে এবং আমরা এটি সর্বাধিক করতে চাই।” তিনি জানিয়েছেন, রেল চাইছে, পরের কয়েকদিনে যত সম্ভব পরিযায়ী মানুষকে রাজ্যে ফেরত পাঠাতে।

অন্যদিকে লকডাউনের শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত সব যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধ রাখা হয়েছিল। রবিবারই রেলমন্ত্রকের তরফে ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা জানানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই ট্রেনগুলি চালানো হবে দিল্লি থেকে। রাজধানী শহর থেকে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে যাবে এইসব যাত্রীবাহী ট্রেন। ১১ মে বিকেল ৪ টে থেকে শুরু হবে রেলের বুকিং।

দিল্লি থেকে যেসব জায়গায় প্রাথমিকভাবে ট্রেন চালানো হবে, সেগুলি হল, ডিব্রুগড়, হাওড়া, পাটনা, বিলাসপুর, রাঁচি, ভুবনেশ্বর, সেকেন্দ্রাবাদ, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, তিরুঅনন্তপুরম, মাদগাঁও, মুম্বই সেন্ট্রা, আমেদাবাদ ও জম্মু তাউই।

যাদের শরীরে করোনার কোনও উপসর্গ নেই, তাদেরকেই স্টেশনে ঢুকতে দেওয়া হবে ও ট্রেনে উঠতে দেওয়া হবে। প্রত্যেক যাত্রীকে স্ক্রিনিং করা হবে। এছাড়া যাত্রীরা মাস্ক পরে, তবেই ট্রেনে উঠতে পারবেন।

পপ্রশ্ন অনেক: একাদশ পর্ব

লকডাউনে গৃহবন্দি শিশুরা। অভিভাবকদের জন্য টিপস দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞ।