ফাইল ছবি

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: লকডাউনের মধ্যে প্রশাসনিক উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিগত খরচে পরিযায়ী শ্রমিকেরা বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন।

এদিকে তাঁদের প্রত্যেককেই হোম কোয়ারেন্টাইনের নির্দেশ দেওয়া হলেও অনেকের বাড়িতে পর্যাপ্ত জায়গার অভাব রয়েছে। যারফলে গ্রামবাসীদের তৈরি করে দেওয়া অস্থায়ী তাঁবুতে দিন কাটাচ্ছেনসেই সব বাড়ি ফেরৎ পরিযায়ী শ্রমিকদের।

বাঁকুড়ার তালডাংরা, সারেঙ্গার পর ইন্দপুরের ব্রাহ্মণডিহায় ঠিক এমনই ছবি ধরা পড়লো আমাদের ক্যামেরায়। এই গ্রামের জনা চল্লিশেক পরাযায়ী শ্রমিক কলকাতা সহ দিল্লী, মুম্বাই, চেন্নাই, মহারাষ্ট্র, গুজরাট সহ দেশের বিভিন্ন অংশে কর্মরত ছিলেন।

এবার তাঁরা বাড়ি ফিরে আসছেন। তার আগেই বাড়িতে থাকা পরিবারের লোকেরা গ্রামের মাঠে তাদের আগামী ১৪ দিন আলাদাভাবে রাখার জন্য অস্থায়ী তাঁবু তৈরির কাজ শুরু করেছেন।

এই খবর পেয়েই শুক্রবার ব্রাহ্মণডিহা গ্রামে যান বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ ডাঃ সুভাষ সরকার। আর যা নিয়ে শুরু হয়েছে শাসক-বিরোধী তর্জা।

এদিন ওই গ্রামে দাঁড়িয়ে সাংসদ ডাঃ সুভাষ সরকার বলেন, “এই পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে রাজ্য সরকারের কোনও ‘মাথা ব্যাথা’ নেই। কেন্দ্র শুধুমাত্র এই শ্রমিকদের তিন বেলা খাওয়ার জন্য ১১ হাজার কোটি বরাদ্দ করেছে। সেই হিসেবে এরাজ্যের ৮০০ থেকে হাজার কোটি টাকা পাওয়ার কথা। ওই প্রাপ্ত টাকা কোথায় খরচ হচ্ছে প্রশ্ন তুলে তিনি রাজ্যের সমস্ত পরিযায়ী শ্রমিকের সংশ্লিষ্ট এলাকার স্কুল গুলিতে থাকার ব্যবস্থা করার দাবী জানান তিনি।”

তৃণমূল নেতা ও রাজ্যের মন্ত্রী অধ্যাপক শ্যামল সাঁতরা বলেন, উনি রাজনীতি করতে ও একই সঙ্গে মানুষকে উত্তেজিত করতেই ওই গ্রামে গিয়েছেন। তবে এতো সবের মধ্যে না গিয়ে তাঁরা প্রশাসনিকভাবে বিষয়টি দেখবেন বলে তিনি জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।