প্রীতম সরকার, রায়গঞ্জ: নোভেল করোনাভাইরাসের মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলছে পঞ্চম দফার লকডাউন। একটানা লকডাউনের জেরে কমেছে বায়ুদূষণের মাত্রা। সময়ের আগেই রায়গঞ্জের কুলিক বনাঞ্চলে ভিড় জমিয়েছে পরিযায়ী পাখির দল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টানা লকডাউনে গাড়ি চলাচল কমে যাওয়ায় বাতাসে দূষণের মাত্রা অনেকটাই কমেছে। সেই কারণেই মনোরম আবহাওয়া পেয়ে এক মাস আগেই কুলিকে ভিড় পরিযায়ী পাখিদের।

একটানা লকডাউনে কয়েক মাস ধরে বন্ধ ছিল সরকারি-বেসরকারি যান চলাচল। তবে পঞ্চম দফার লকডাউনে দিন কয়েক হল গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে শুরু করেছে। তবে এখনও রাস্তায় পুরোদমে গাড়ি চলাচল শুরু হয়নি। লকডাউনের জেরে গাড়ি চলাচল কম করায় স্বাভাবিকভাবেই বাতাসে দূষণের মাত্রা অনেকটাই কমেছে।

এবার নিদির্ষ্ট সময়ের আগেই সুদূর সাইবেরিয়া থেকে রায়গঞ্জের কুলিক বনাঞ্চলে ভিড় জমাতে শুরু করেছে পরিযায়ী পাখির দল।

সাধারণত জুলাই মাসে এই পরিযায়ী পাখিরা রায়গঞ্জের কুলিক বনাঞ্চলে আসে। কিন্তু এবছর এক মাস আগেই তারা এসে গিয়েছে। কুলিক বনাঞ্চলে গাছের পর গাছের ডালে খেলে বেড়াচ্ছে পরিযায়ীদের দল।

লকডাউনের জেরে কুলিক বনাঞ্চলও দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ রয়েছে। এশিয়ার বৃহত্তম পক্ষী-নিবাস রায়গঞ্জের কুলিক। উচ্ছ্বসিত প্রকৃতিপ্রেমীরা দ্রুত কুলিক পাখিরালয়টি সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ারও দাবি জানাচ্ছেন। যদিও বনদফরের দাবি, সরকারি নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত কোনওভাবেই কুলিক পাখিরালয় সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া যাবে না।

এবিষয়ে রায়গঞ্জ ডিভিশনের ডিএফও সোমনাথ সরকার জানিয়েছেন, প্রজনন এবং প্রজনন পরবর্তী সময়ে পাখিদের নানা কার্যকলাপ, সমস্ত কিছুই এই কুলিক পাখিরালয়ে হয়ে থাকে। কখনও-কখনও পাখিদের সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়। গত কয়েক বছরে পাখিদের আসা-যাওয়ার সংখ্যার কিছু তফাৎ দেখা গেলেও তাদের আসার সময়ে কোনও আগুপিছু কিন্তু দেখা যায়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।