হাওড়া : সরকারিকরণ, মাসিক বেতন বৃদ্ধি সহ একাধিক দাবিতে উলুবেড়িয়ায় পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন সারা বাংলা মিড ডে মিল কর্মী ইউনিয়নের কয়েকশো সদস্যা।

ইউনিয়নের কয়েকশো কর্মী প্রথমে মিছিল করে এসে উলুবেড়িয়ার গরুহাটা মোড়ে অবরোধ করেন। অবরোধের পাশাপাশি হাতে পোস্টার নিয়ে বিক্ষোভ দেখান সদস্যরা। বেশ কিছুক্ষণ চলে অবরোধ। তারপর সেখান তাঁরা চলে যান উলুবেড়িয়ার মহকুমাশাসকের কার্যালয়ের সামনে। সেখানেও প্রায় আধ ঘন্টা চলে অবরোধ। পাশাপাশি, মহকুমাশাসকের দফতরে একটি স্মারকলিপি জমা দেন সংগঠনের সদস্যরা। ইউনিয়নের সদস্যরা জানান, তারা দীর্ঘদিন দিন ধরে সরকারের কাছে একাধিক দাবি জানিয়ে আসছেন। কিন্তু, সরকার তাদের কোনো দাবিতেই কর্নপাত করেনি।

তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই তারা বিক্ষোভ, অবরোধের পথ বেছে নিয়েছেন। ইউনিয়নের সদস্যাদের কথায়, অঙ্গন‌ওয়াড়ি ও আশা কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি হলেও তাদের বেতন বাড়েনি। দ্রুত দাবিপূরণ না হলে সারা বাংলার প্রায় আড়াই লক্ষ মিড-ডে-মিল কর্মী ও তাদের পরিবারের তরফে ভোট বয়কট ও বৃহত্তর আন্দোলনের পথে সরব হওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আলুর দাম একদিন কেজি প্রতি ২৫ টাকা, তো পরদিন ৩০ টাকা। কখনও নামতে নামতে ২০ টাকায়। খুচরো বাজারে আলুর দামের এমন ওঠা-নামায় বিব্রত জেলা প্রশাসন থেকে শিক্ষকেরাও। প্রতি মাসে প্রাথমিক এবং হাইস্কুল থেকে মিড-ডে মিল বিলি হচ্ছে। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী, মিড-ডে মিলে আলুও দিতে হয়। আলু কেনার জন্য সরকার যে দাম ঠিক করে দেয় তার সঙ্গে বাজারের সামঞ্জস্য থাকে না বলে ডান-বাম সব শিক্ষক সংগঠন অভিযোগ করে এসেছে। এ বারে প্রশাসনের সিদ্ধান্ত, মিড-ডে মিলের জন্য শিক্ষকদের বাজার থেকে আলু কিনতে হবে না। আলু সরবরাহ করবে জেলা প্রশাসনই।

গত মঙ্গলবার জলপাইগুড়ির জেলাশাসক মৌমিতা গোদারা নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছেন, কৃষি বিপণন দফতর আলু কিনবে। সেই আলু স্কুলে স্কুলে সরবরাহ করবে খাদ্য দফতর। যে ভাবে চাল এবং ছোলা এতদিন স্কুলে স্কুলে সরবরাহ করা হয়েছে, সে ভাবেই আলুও পৌঁছবে স্কুলে। খাদ্য দফতর এবং কৃষি বিপণন দফতরকেও জেলাশাসকের দফতর থেকে নির্দেশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে খবর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।