কলকাতা : মাইক্রো চিপ থেকে শুরু করে কার্ড কত কিছুই হয় কিন্তু মাইক্রো এটিএম! হ্যাঁ। সেটাও এবার হবে ভারতের বিভিন্ন ছোট ছোট স্থানে। র‍্যাপি পে নামক সংস্থা সারা ভারত জুড়ে মাইক্রো এটিএম চালু করছে। এবার তারা তা সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়েছে।

র‍্যাপি পে মূলত ফ্র্যাঞ্চাইজড রিটেল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে গ্রাহকদের ব্যাঙ্কিং বিজনেস করেসপন্ডেন্টস পরিষেবা দেয় ।

ক্যাপিটাল ইন্ডিয়া ফিনান্স লিমিটেড-এর অধীনস্ত এই সংস্থাটির বিশ্বাস, এটিএম থেকে নগদ টাকা তোলার ক্ষেত্রে এই মাইক্রো এটিএমগুলি ভারতীয় গ্রাহকদের কাছে বিশেষত দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণীর শহর এবং গ্রামাঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য এক যুগান্তকারী পরিবর্তন নিয়ে আসবে। আগামী ২ বছরের মধ্যে ৫ লক্ষ মাইক্রো এটিএম চালু করার লক্ষ্য রয়েছে এই সংস্থার।

এই নতুন পরিষেবাটির সূচনা করে র‌্যাপি পে -এর এমডি এবং সিইও শ্রী যোগেন্দ্র কাশ্যপ। তিনি বলেন, ‘আমাদের মাইক্রো এটিএমগুলি বাজারে দুর্দান্ত সাড়া পেয়েছে বলে আমরা আনন্দিত এবং আমরা এটি চালু করার একমাসের মধ্যেই ২৫০০০ এরও বেশি ডিভাইস ইনস্টল করতে সক্ষম হয়েছি।

প্রচলিত এটিএম মেশিনের তুলনায় র‌্যাপি পে মাইক্রো এটিএমগুলি যুগান্তকারী এবং গ্রাহকরা সহজেই যেকোনো র‍্যাপি পে সাথী স্টোরে গিয়ে অতি সহজেই নগদ টাকা তুলতে পারবেন বা অনুরূপ কাজ করতে পারবেন এবং এর ফলে তাদের কিলোমিটার এর পর কিলোমিটার ধরে এটিএমের সন্ধানে ঘুরতে হবেনা।’

তিনি আরও বলেন ‘প্রতিবেশী দোকানে মাইক্রো এটিএম, এইপিএস এবং টাকা ট্রান্সফার, বিল ও করের পেমেন্ট ইত্যাদির মতো অন্যান্য পরিষেবার সহজলভ্যতা গ্রাহকদের কাছাকাছির মধ্যেই ব্যাঙ্কিং এবং পেমেন্ট পরিষেবার সহজ সমাধান এনে দিয়েছে’।

আরবিআইয়ের সাম্প্রতিক তথ্যে প্রকাশিত হয়েছে যে দেশের ২.২ লক্ষ এটিএমের মধ্যে কেবল ১৯% এটিএম গ্রামাঞ্চলে রয়েছে যেখানে মোট ভারতীয় জনসংখ্যার ৬২% বাস করেন । গ্রামীণ অঞ্চলে এটিএম সংখ্যা কম উপরন্তু এটিএমের মোট সংখ্যা প্রতিবছর হ্রাস পাচ্ছে। সুতরাং, দেশের প্রতিটি প্রান্তে এবং গ্রামাঞ্চলে টাকা তোলার সুবিধার জন্য মাইক্রো এটিএম গুলির চাহিদা বেড়ে চলেছে ।

র‌্যাপি পে মাইক্রো এটিএমগুলি অত্যন্ত কার্যকর এবং সহজেই সারা ভারত জুড়ে র‌্যাপি পে সাথীতে ব্যবহৃত র‌্যাপি পে এজেন্ট আপ এর সাথে যোগাযোগে সহায়ক। র‌্যাপি পে এর কাছে আরবিআই এর দেওয়া পিপিআই (প্রি-পেইড ইনস্ট্রুমেন্ট) লাইসেন্স রয়েছে এবং এটি এজেন্ট এবং গ্রাহকদের জন্য সম্পূর্ণ সুরক্ষিত এবং নির্ভরযোগ্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.